পুবের কলম প্রতিবেদক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আপত্তি অগ্রাহ্য করে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই চোখের চিকিৎসা করাতে দুবাই গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন তাঁর স্ত্রীও। কিন্তু এর পরও ইডির তরফ থেকে সে দেশের সরকারকে অভিষেকের গতিবিধির ওপর নজর রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় এই সংস্থার এই ভূমিকার পেছনে মোদি সরকারের সমর্থন রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আর তাই মঙ্গলবার দুবাই থেকে ট্যুইট বার্তায় মোদি সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার বিরুদ্ধে তোপ দেগে তৃণমূলের যুবনেতা তথা দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক বলেন, তাঁর ওপর দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছ, গোটা দেশের নজরদারিতে তারা রয়েছে। যেভাবে এই দুই তদন্ত সংস্থা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে তাঁকে চোখে চোখে রাখছে, ঠিক একই উৎসাহের সঙ্গে তারা নীরব মোদি এবং বিজয় মাল্যর ওপর নজরদারি চালালে জনগণের ৩০ হাজার কোটি বেঁচে যেত।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, কয়লাকাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়ানোর পর থেকেই তাঁর বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব সহকারেই দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। আদালতকে সব জানিয়ে চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাই আসার পরও কেন্দ্রীয় সংস্থা যেভাবে তার ওপর নজরদারি চালিয়েছে তা প্রতিহিংসার রাজনীতির অংশ হিসাবেই দেখছেন অভিষেক। আর তাই স্টেট ব্যাটে খেলেই মোদি সরকারকে এর জবাব দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।