পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী জেলার তরাণা শহরে এক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতার ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গত দু’দিন ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, দোকানপাট ও যানবাহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শহরটি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। উল্লেখ্য, উজ্জয়িনী মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদবের নিজের জেলা হওয়ায় এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে ভিএইচপি-র গৌ সেবা প্রকোষ্ঠের স্থানীয় প্রধান সোহেল ঠাকুর বুন্দেলার সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একদল যুবকের কথা কাটাকাটি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একে অপরের দিকে তাকানো এবং এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সোহেল ঠাকুর গুরুতর জগত হন।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দুই পক্ষের কয়েকশ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। শুরু হয় প্রবল ইটবৃষ্টি।

বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা অন্তত ১১টি বাস সহ একাধিক গাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই এলাকায় বিএনএসএস-এর ১৬৩ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

তবে শুক্রবার জোহরের নমাজের পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই পক্ষই সশস্ত্র অবস্থায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পুলিশ কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলার ৫ থেকে ১০টি থানা থেকে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তলোয়ার ও লাঠিধারী দুষ্কৃতীরা বাড়ির ভেতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং একটি ধর্মীয় উপাসনালয়কেও লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করা হয়।