পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  গুজরাতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার বেলা ১টা ৩৮ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। টেক অফের সময় বিমানটি মুখ থুবড়ে পড়ে বলে খবর। বিমান ২৩০ জন যাত্রী-সহ ১২ জন বিমানকর্মী ছিল বলে জানা গেছে।

আহমাদাবাদ বিমানবন্দর থেকে এয়ার ইন্ডিয়া বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। গন্তব্য ছিল লন্ডন গ্যাটউইক বিমানবন্দর। মাটি ছাড়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

মাত্র ৬২৫ ফুট উপরে বিমনটি উঠতে পেরেছিল।

বিমানবন্দরের সামনে ডাক্তারদের হস্টেলে বিমানটি আছড়ে পড়ে আগুন ধরে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। তাঁদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়। এ ছাড়া ওই বিমানে ছিলেন ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক, এক জন কানাডিয়ান এবং সাত জন পর্তুগিজ নাগরিক। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এখনও অনেকে ধ্বংসস্তূপে আটকে রয়েছেন।

মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ২০০। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে গুজরাতের অহমদাবাদে সর্দার বল্লভভাই পটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অদূরেই মেঘানিনগরের কাছে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রিবাহী বিমান। দেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) সূত্রে খবর, বিমানের পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন সবরওয়াল।

সঙ্গে ছিলেন সহ-পাইলট তথা ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দর। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে ‘মে ডে কল’ দেন পাইলট।

তার পর ৬২৫ ফুট উচ্চতা থেকে প্রতি মিনিটে ৪৭৫ ফুট বেগে গোত্তা খেতে খেতে নামতে শুরু করে বিমানটি।

দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘আহমেদাবাদের ঘটনায় আমি বিধ্বস্ত, অত্যন্ত ব্যথিত। আমি মন্ত্রী এবং সমস্ত প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।’

শোক জ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। এই কঠিন সময়ে গোটা দেশ তাঁদের পাশে রয়েছেন।’ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে পোস্ট করেছেন। শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।