পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: (Pahalgam Terror Attack) জঙ্গিদের গুলিতে নিহত সৈয়দ আদিল হুসেন শাহ। কাশ্মীর অনন্তনাগ-এর বাসিন্দা ছিলেন তিনি। সৈয়দের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছে তার বৃদ্ধ মা। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আমার বাড়িতে সৈয়দ একাই ছিল যে উপার্জন করত. অভাবের সংসারে সে একাই সব সামলে রেখেছিল। নিরীহ লোকটির মৃত্যুতে ন্যায়বিচার চেয়েছেন আদিলের পরিবার।
আরও পড়ুন:
[caption id="attachment_136029" align="aligncenter" width="533"]
শহিদ আদিলের বাবা[/caption]
এএনআই-এর সাথে কথা বলতে গিয়ে সৈয়দ আদিল হুসেন শাহের বাবা সৈয়দ হায়দার শাহ বলেন, "আমার ছেলেই আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল। সে গতকাল পাহেলগামে কাজ করতে গিয়েছিল, এবং বিকাল ৩টার দিকে আমরা হামলার খবর শুনতে পাই।
আমরা তাকে ফোন করেছিলাম, কিন্তু তার ফোন বন্ধ ছিল। পরে, বিকেল ৪:৩০ টায়, তার ফোন চালু হয়, কিন্তু কেউ ফোন ধরেনি। আমরা দ্রুত থানায় যাই, এবং তখনই আমরা জানতে পারি যে সে হামলায় আহত হয়েছে। আমার ছেলে শহীদ হয়েছে। আমরা তার মৃত্যুর বিচার চাই। সে একজন নির্দোষ মানুষ ছিল। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে? যেই যেই দায়ী হোক না কেন তাকে পরিণতি ভোগ করতে হবে।আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: পহেলগাঁওতে স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ, কথা বললেন নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে
আরও পড়ুন:
(Pahalgam Terror Attack) জঙ্গিদের গুলিতে নিহত সৈয়দ আদিল হুসেন শাহ আদিলের মা, কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, “সে ছিল আমাদের একমাত্র ভরসা। ঘোড়া চালিয়ে রোজগার করত। এখন আমাদের দেখভাল করার আর কেউ নেই। আমরা জানি না কীভাবে চলব তার অনুপস্থিতিতে।” আদিলের কাকা, শহীদ বাগ সিং বলেন, “আদিল ছিল পরিবারের বড় ছেলে। তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে, সে ছিল এই পরিবারের মেরুদণ্ড।
এখন তারা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে। তারা গরিব, এবং এই ট্র্যাজেডি তাদের সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে। আমরা সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি। আদিলের পরিবার এখন অতীব সুরক্ষা ও সহায়তার প্রয়োজন।”আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
যৌথভাবে জঙ্গি হামলার (Pahalgam Terror Attack) বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার বৈসরন উপত্যকায় যেন মৃত্যুপুরী। এই হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন পর্যটক। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের মতে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ২৮।
আরও পড়ুন:
https://www.youtube.com/watch?v=2OT_WhGEfys
আরও পড়ুন: