- পঞ্চায়েত নির্বাচন: রাজ্যে এলো কেন্দ্রীয় বাহিনী
- ৩৩৭ বাহিনী এলো, আরও ৪৮৫ বাহিনী আসছে
- পঞ্চায়েতে সিঙ্গল প্রার্থী ৮০০২টি আসনে
- পঞ্চায়েত সমিতিতে ৯৯টি,
- জেলা পরিষদে ১৬টি সিঙ্গল প্রার্থী রয়েছেন
- রাজ্যের ৩ জায়গায় ভোট হচ্ছে না
আরও পড়ুন:
পুবের কলম প্রতিবেদক: পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তার জন্য রাজ্যে এলো কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি, হুগলি-সহ আরও কয়েকটি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে। আরও বাহিনী আসছে। যে জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে, সেই জেলাগুলিতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু করার নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন পর্বে বা অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে যে জায়গাগুলিতে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, সেখানে রুটমার্চ শুরু করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ প্রত্যেক জেলার এসপি, সিপিদের জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আলিপুরদুয়ার জেলায় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। কোচবিহার জেলায় আজই পৌঁছে যাবে বাহিনী।
জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলাতেও শুক্রবার রাতের মধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গেছে। কমিশন জানিয়েছে, ৮২২ কোম্পানির মধ্যে আরও ৪৮৫ কোম্পানি আসছে। আপাতত ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সিআরপিএফ ৫০, বিএসএফ ৬০, সিআইএসএফ ২৫, আইটিবিপি ২০, এসএসবি ২৫, আরপিএফ ২০, মোট সিএপিএফ ২০০, বাকি ১২টি রাজ্য থেকে স্পেশাল আর্মড পুলিশ ফোর্স ১১৫। এ দিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্যে এসে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইসি বিএসএফ, আইজি, সিআরপিএফ এবং অ্যাসিসট্যান্ট কমান্ডার।আরও পড়ুন:
শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন সাংবাদিকদের জানিয়েছে, এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৭ হাজার ৫৭২, আহত ২২৯, আগের থেকে ১৬১ জন বেড়েছে। মোট মৃতের সংখ্যা ৪। নন-বেলেবল ৫ হাজার ৬৫৫, আন-বেলেবল ৫৭।
এবার নির্বাচনে আপের কোনও প্রার্থী পঞ্চায়েতের ভোটে লড়াই করছেন না। বিএসপি থেকে মোট ২৯৯ প্রার্থী ভোটে লড়ছেন। বিজেপির ৪৬ হাজার ৪০৪ জন ভোটের ময়দানে রয়েছেন। সিপিআইএম এর ৪২ হাজার ৯১০, কংগ্রেসের ১৪ হাজার হাজার ৬১৫, আইএফজি-র ১ হাজার ৩৬৩, তৃণমূল কংগ্রেস ৭১ হাজার ৯৩৮, আইএনডি ২০ হাজার ৭৮৮। অন্যান্য ৭ হাজার ৯৭৮। ভোটের ময়দানে সব দল মিলে মোট প্রার্থী লড়াই করবেন ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫ জন। এর মধ্যে সিঙ্গল প্রার্থী রয়েছে ৮ হাজার ২টি পঞ্চায়েতের আসনে। ৯৯টি পঞ্চায়েত সমিতিতে সিঙ্গল প্রার্থী এবং ১৬টি জেলা পরিষদের সিঙ্গল প্রার্থী রয়েছেন। রাজ্যের ৩ জায়গায় ভোট হচ্ছে না। কমিশন জানিয়েছে, ওই জায়গায় সব প্রার্থীর নোমিনেশন বাতিল হয়েছে। ২২ জুন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছে মোট ১ হাজার ২০টি। এর মধ্যে ৭৮১টি অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে।আরও পড়ুন:
এ দিকে আগামী ৮ জুলাই ভোট হলেও বিরোধীরা আরও কয়েক দফায় ভোট করার দাবি তুলেছে। এই প্রসঙ্গে শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ'নও পর্যন্ত ১ দফায় ভোট গ্রহণ হবে। ১১ জুলাই কেন্দ্রীয়ভাবেই ভোট গণণা হবে। এ দিন সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে কমিশনের সামনে বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীদের সংগঠন।
আরও পড়ুন:
সিআরপিএফ ৫০
আরও পড়ুন:
বিএসএফ ৬০
আরও পড়ুন:
সিআইএসএফ ২৫
আরও পড়ুন:
আইটিবিপি ২০
আরও পড়ুন:
এসএসবি ২৫
আরও পড়ুন:
আরপিএফ ২০
আরও পড়ুন:
মোট সিএপিএফ ২০০ বাকি ১২টি রাজ্য থেকে স্পেশাল আর্মড পুলিশ ফোর্স ১১৫