পুবের কলম প্রতিবেদক: আজ পঞ্চায়েত নির্বাচন। রাজ্য জুড়ে মোট বুথের সংখ্যা ৬১ হাজার ৬৩৬টি। এর মধ্যে স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ৪ হাজার ৮৩৪টি। অর্থাৎ, মোট বুথের ৭.৮৪ শতাংশ স্পর্শকাতর বুথ। অতীতে এই সমস্ত বুথগুলিকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে কথা মাথায় রেখেই আজ নির্বিঘ্নে ভোট করতে তৎপর রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার জন্য লেহ্ থেকে এয়ারলিফট করে বাহিনী নিয়ে এসেছে কমিশন। যা রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন ঘটনা। তবে মূলত স্পর্শকাতর বুথগুলিতে মোতায়েন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়ে অবগত করেছিল বিএসএফ। তারপরেই কমিশনকে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে নয়া পরিকল্পনা জানানো হয় বিএসএফ-এর তরফ থেকে।আরও পড়ুন:
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সমান অনুপাতে দিতে হবে। অর্থাৎ একটি বুথে একজন রাজ্য পুলিশ থাকলেও একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর রক্ষীকেও রাখতে হবে। পুরো বিষয়টি কীভাবে করা হবে হাইকোর্ট তা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে বিএসএফ আইজি-কে। সেই নির্দেশ মত বাহিনী মোতায়েন প্ল্যান করে দিয়েছে বিএসএফ। কিন্তু সেখানে দেখা যাচ্ছে, সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না। মূলত স্পর্শকাতর বুথ গুলিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যে প্রেমিসেসে একটি ও সর্বাধিক দুটো বুথ আছে, সেখানে হাফ সেকশন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
যেখানে ৩ থেকে ৪ টি বুথ রয়েছে, সেখানে ১ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। যেখানে ৫ থেকে ৬টি বুথ রয়েছে, সেখানে ১.৫ সেকশন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ৭ ও তার থেকে বেশি বুথ রয়েছে এমন প্রেমিসেসে থাকবে ২ সেকশন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়া প্রতি স্ট্রং রুমের জন্য ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে।আরও পড়ুন:
ভোটে রাজ্য পুলিশ কীভাবে কাজ করবে, সেই মর্মেও গাইডলাইন প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, প্রত্যেক বুথে ১ জন করে সশস্ত্র কনস্টেবল থাকছে। প্রত্যেক সেক্টরে থাকছে ১ জন অফিসার। প্রত্যেক আরটি মোবাইলে থাকছে ১ জন ইন্সপেক্টর এবং ১ জন সশস্ত্র কনস্টেবল। প্রত্যেক এইচআরএফএস-এ ১ জন করে ইন্সপেক্টর, ২ জন সশস্ত্র কনস্টেবল, ১ জন কনস্টেবল গ্যাস গান ও ১ জন লাঠি ধারী কনস্টেবল থাকছে।
প্রত্যেক ডিসিআরসি-তে থাকছে ১ জন অফিসার, ২ জন সশস্ত্র কনস্টেবল, ২ লাঠিধারী কনস্টেবল। স্ট্রংরুমে থাকছে ২ জন অফিসার ও ৮ জন সশস্ত্র কনস্টেবল।আরও পড়ুন:
কমিশনের নির্দেশ সব বুথেই সিসিটিভি নজরদারি থাকবে। সম্ভব না হলে ভোট প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হবে। সব বুথ চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। কমিশনের তরফে নোডাল অফিসার হিসাবে অতিরিক্ত সচিব এবং এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বাহিনী মোতায়েন ও পরিচালনার বিষয়টি দেখভাল করবেন। ভোট প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারির জন্য ২২ জেলায় ২১ আইএএস আধিকারিককে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হবে। এছাড়াও ২৩৮ জন ডব্লুবিসিএস আধিকারিককে সাধারণ পর্যবেক্ষক হিসাবে ব্লকস্তরে নজরদারির দায়িত্ব দিয়েছে কমিশন। সাধারণ মানুষের ভোট সংক্রান্ত ভাব অভিযোগ নিষ্পত্তিতে সোমবার থেকেই ব্লক, মহকুমা ও জেলায় কমিশনের কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। রাজ্যের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের নম্বর ১৮০০৩৪৫৫৫৫৫৩।
আরও পড়ুন:
মোট ৬১৬৩৬ বুথ
আরও পড়ুন:
৪৮৩৪ স্পর্শকাতর
আলিপুরদুয়ার- ১২১২ বুথের মধ্যে ২৫ টি বুথ স্পর্শকাতর।
আরও পড়ুন:
বাঁকুড়া- ৩১০০ বুথের মধ্যে ১১৬ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
বীরভূম- ২৭৬৮ টি বুথের মধ্যে২২৮ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
কোচবিহার- ২৩৮৫ টি বুথেরে মধ্যে স্পর্শকাতর বুথ ৩১৭
আরও পড়ুন:
দক্ষিণ দিনাজপুর- ১২২৩ বুথ স্পর্শকাতর ৮৪
আরও পড়ুন:
দার্জিলিং- ৫১৪ বুথ স্পর্শকাতর ২৭ টি বুথ
আরও পড়ুন:
হুগলি- ৩৮৫১ টি বুথ স্পর্শকাতর ২০৯
আরও পড়ুন:
হাওড়া- ৩০৩১ এর মধ্যে ৩৫৩ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
জলপাইগুড়ি- ১৬৬০ এর মধ্যে ৭৪
আরও পড়ুন:
ঝাড়গ্রাম- ১০৪৫ এর মধ্যে ৪৫ টি বুথ স্পর্শকাতর
কালিম্পং ২৬৩ টি r মধ্যে ৮
আরও পড়ুন:
মালদা- ৩০৩৫ এর মধ্যে ২৭০
আরও পড়ুন:
মুর্শিদাবাদ- ৫৪৩৮ এর মধ্যে ৫৪১ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
নদিয়া- ৩৮৯৬ এর মধ্যে ৩৭৩
আরও পড়ুন:
উত্তর ২৪ পরগনা- ৪৫৩২ এর মধ্যে ২৫৮ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
পশ্চিম বর্ধমান- ৯৯৮ এর মধ্যে ৪০
আরও পড়ুন:
পশ্চিম মেদিনীপুর- ৩৮৬৭ র মধ্যে ৩০৫
আরও পড়ুন:
পূর্ব বর্ধমান- ৩৯৩৩ এর মধ্যে ৩৪২ টি বুথ স্পর্শকাতর
আরও পড়ুন:
পূর্ব মেদিনীপুর- ৪১২৮এর মধ্যে ৩৫৬
আরও পড়ুন:
পুরুলিয়া- ২৪০৫ বুথের মধ্যে ২৫৩
দক্ষিণ ২৪ পরগনা- ৬২২৬ এর মধ্যে ৫০২
আরও পড়ুন:
উত্তর দিনাজপুর- ২১২৬ এর মধ্যে ১০৮
আরও পড়ুন: