পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বাচ্চাদের ন্যূনতম বয়স ৬ বছর। তবে একাধিক রাজ্য এই নিয়ম মেনে চলছে না।  আগেও নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্র। ফের নতুন করে নির্দেশিকা পাঠানো হল সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। বুধবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক এই নির্দেশিকা জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুযায়ী সমস্ত রাজ্যকে বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ৬ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়স হলে তবেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি  নেওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে বলা যায়, ২০২০ সালে নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন হয় দেশে। সেই সময় বলা হয়েছিল, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য পড়ুয়াদের সর্বনিম্ন বয়স হবে ৬ বছর। এতে পড়াশোনা ভালো হবে।
শেখার মতো বুদ্ধিও তৈরি হবে। এই শিক্ষা নীতিতে ৩-৮ বছর পর্যন্ত একটি বয়স গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন বছর প্রি-স্কুলে পড়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়। এই  সময় তাদের মানসিক বিকাশের দিকে জোর দিতে বলা হয়। সঠিকভাবে মানসিক বৃদ্ধি ঘটার আগেই বাচ্চাদেরকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করে দিলে শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হবে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রক।

কিন্তু প্রি-স্কুল, ইংরেজি মিডিয়াম ইঁদুর দৌড়ের চক্করে ৩-৪ বছর বয়স থেকেই  বাচ্চাদের ভর্তির জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন অভিভাবকরা। অবশ্য বিভিন্ন রাজ্য বিশেষে ভর্তির বয়সে পার্থক্য রয়েছে। ১৪টি রাজ্যে ৬ বছরের কমেও শিশুদের ভর্তি করা যায়। অসম, তেলেঙ্গানা, গুজরাতের মতো রাজ্যগুলিতে ৫ বছর বয়স হলেই শিশুদের ভর্তি নেওয়া হয়।

অপরদিকে দিল্লি, অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, গোয়া, ঝাড়খণ্ড, কেরল, কর্নাটকে বয়স ৫ পেরোলে তবে ভর্তি নেওয়া হয়। এবার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে যাতে বৈষম্য না থাকে তার জন্য সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র।