পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : হরিদ্বারের ‘ধর্ম সংসদ’ চলাকালীন ধর্মীয় এই সমাবেশে মুসলিমদের গণহারে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে ওই ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা গ্রহণে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এফআইআর সত্ত্বেও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে না? সিনিয়ার আইনজীবী কপিল সিবাল এই প্রশ্ন তুলে দেশের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানার কাছে একটি নোট জমা দেন।
তারপরই এই প্রসঙ্গে জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করল দেশের শীর্ষ আদালত।আরও পড়ুন:
প্রধান বিচারপতি এন ভি রমানার এজলাসে কপিল সিব্বাল বলেন, ‘আগে দেশে স্লোগান উঠত সত্যমেব জয়তে৷ এখন সেটা বদলে হয়েছে সশস্ত্রমেব জয়তে৷’ এদিন পিটিশনের শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে? জবাবে কপিল সিব্বল তাঁকে বলেন, ‘শুধু এফআইআর দায়ের হয়েছে৷’ শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ঠিক আছে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব৷’
আরও পড়ুন:
গত বছর ১৭-১৯ ডিসেম্বর উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে বসে ধর্ম সংসদ৷ রুদ্ধদ্বার সেই সমাবেশের কয়েকটি ভিডিয়ো ক্লিপ সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্ক শুরু হয়ে যায়৷ অস্তিত্বরক্ষায় হিন্দুদের অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার ডাক দেন সাধু-সন্তরা৷ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গণহত্যার ডাক দেওয়া হয়৷ একটি ভিডিয়ো ক্লিপে একজনকে বলতে শোনা যায়, আমার ১০০ জন লোক চাই যারা ওদের ২০ লক্ষ লোককে হত্যা করবে৷ এমনকী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকেও খুনের হুমকি দেওয়া হয়৷
আরও পড়ুন:
হরিদ্বারের ধর্মসংসদ ইস্যুতে রীতিমতো সরগরম জাতীয় রাজনীতি। এদিকে, গোটা ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে দেশ জুড়ে। এভাবে প্রকাশ্য ধর্মীয় সমাবেশে ঘৃণার বার্তা ছড়ানোর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের এই ৭৬ জন আইনজীবী স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদক্ষেপ করার আর্জি জানান।