পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ উত্তরবঙ্গ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বলেন, সকলেই চাইছে GTA নির্বাচন হোক। আশাকরি ২-৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন হবে। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের জন্য বার বার কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হোক৷ কিন্তু পাহাড়ে দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা রয়েছে৷ কেন্দ্রকে বলব আইনটা সংশোধন করুন৷
আরও পড়ুন:
একাধিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শিলিগুড়িতে সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বলছে আমি ছ’দিন থাকব। কেউ বলছে সাতদিন।
কেউ বলছে ১৫ দিন। আমি তিনদিন পাহাড়ে থাকব। পাহাড়ে থেকে জিটিএ নিয়ে আলোচনা করব। আমি চাই জিটিএ নির্বাচন হোক। নির্বাচনটা মে-জুনে করতে চাই।’আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের আগে কালিম্পংয়ের এক নির্দল বিধায়ক চিঠি লিখে জিটিএ থেকে কালিম্পংকে আলাদা করার দাবি জানিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি লিখেছেন, জেলার মর্যাদা পেলেও কালিম্পংয়ে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা নেই, জেলা পরিষদ নেই। এই কাজগুলি আমাদের করতে হবে।আরও পড়ুন:
পাহাড়ে রাজনৈতিক মহলের খবর, জিটিএ নির্বাচনের আগেই সম্ভবত হাত মেলাতে চলেছেন বিমল গুরুং, বিনয় তামাং ও অনিতা থাপারা। এমনিতেই বিমল গুরুং, বিনয় তামাং, অনিতা থাপারা গত দার্জিলিং পুরসভা নির্বাচনে এককভাবে নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারেননি। দার্জিলিং পুরসভার নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর তাঁরাও বুঝে গিয়েছেন এককভাবে লড়াই সম্ভব নয়, জোট বাঁধতে হবে। পাহাড়ের রাজিনীতিতে বিমল গুরুংয়ের ভাল প্রভাব থাকলেও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ও দার্জিলিংয়ে বিধানসভা উপ-নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়।
আরও পড়ুন:
২০২০ সালে বিমল গুরুং তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলান। যদিও সেই সময় অনিতা থাপা হাত মেলাতে রাজি হননি বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে। তবে বিমল গুরুং অনিত থাপা এবং বিনয় তামাং জিটিএ নির্বাচনের আগে যে একসঙ্গে নির্বাচনগুলোতে লড়তে চায় তার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে, পাহাড়ের নবগঠিত অজয় এডওয়ার্ডের ‘হামরো পার্টি’ ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এইসব উপলব্ধি করেই পাহাড়ে নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখতেবিমল-বিনয়-অনিতা একজোট হতে চাইছেন। তাঁরা ভালোই বুঝতে পেরেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে একজোট হতে না পারলে উপায় নেই।
আরও পড়ুন:
রবিবার শিলিগুড়ির কাছে গোসাইপুরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি পাহাড়ে অনেকগুলো কাজ নিয়ে যাচ্ছেন। তার মধ্যে অন্যতম জিটিএর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা। এছাড়াও পঞ্চায়েত ও বাকি তিনটে পুরসভার নির্বাচনের দিকেও নজর থাকবে।
আরও পড়ুন: