পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: শনিবার অসমে সরকারি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে ভূমিধসে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে ছয়টি জেলা বন্যা কবলিত। প্রায় দশ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত।আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে কামরূপ মেট্রোপলিটনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বড়ুয়া শুক্রবার জানিয়েছিলেন, গুয়াহাটির উপকণ্ঠে বোন্ডা এলাকায় ভূমিধসে তিন মহিলার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার শহরের বেশিরভাগ এলাকায় ব্যাপক পরিমাণে জল জমেছে। বেশ কয়েকটি সংস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুন:
ASDMA -এ বিবৃতিতে জানিয়েছে, কামরূপ মেট্রোপলিটন, কামরূপ এবং কাছাড় এই তিনটি জেলার পাঁচটি এলাকায় বন্যা হয়েছে।মোট ১০,১৫০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুইটি ত্রাণ শিবির এবং একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
ধেমাজি, লক্ষ্মীপুর এবং গোলাঘাট এই তিনটি জেলার আটটি এলাকাও বন্যা কবলিত বলে খবর। প্রায় ২০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আরও পড়ুন:
যদিও বন্যা কবলিত শহরাঞ্চলে এখনও পর্যন্ত কোনও শিবির বা ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র খোলা হয়নি। উত্তর লক্ষ্মীপুরে একটি "রিং বাঁধ" ভেঙে গেছে। এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে।
আবহাওয়া দফতরের খবর অনুসারে, শনিবার চিরাং, বাক্সা, বরপেটা, বোঙ্গাইগাঁও, বাজালি, তামুলপুর, দরং এবং উদালগুড়িতে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের উত্তর-পূর্ব অংশ 'অস্বাভাবিক পরিস্থিতির' মুখোমুখি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।আরও পড়ুন:
আবহাওয়া দফতরের খবর, 'ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা। বিচ্ছিন্ন জায়গায় অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার আবার কোথাও ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। কামরূপ এবং কামরূপ মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য শনিবার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দুই জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছে।