পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন। গোটা বিশ্ব তাঁকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেই জানে। আজকের রুশ প্রেসিডেন্ট জীবন শুরু করেছিলেন গুপ্তচর হিসেবে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। পুতিনের বাবা ভ্লাদিমির স্পিরিদিনোভিচ পুতিন ছিলেন রুশ সেনা বাহিনীর একজন সদস্য।
ছোট থেকেই দুরন্ত ছিলেন জুনিয়র পুতিন। বাবা সিনিয়র পুতিনের কাছে আসত নানা ধরনের অভিযোগ। এমনকি কিশোর ভ্লাদিমির নিজের গ্যাং পর্যন্ত বানিয়েছিলেন।ধীরে ধীরে অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠছিলেন কিশোর পুতিন। হয়ত হারিয়ে যেতেন অন্ধকার জগতে।আরও পড়ুন:

কিন্তু একজন ক্ষিপ্র জুডোকা ছিলেন পুতিন।তদানীন্তন সোভিয়েত রাশিয়ার গুপ্তচর সংস্থা কেজিবি নজর রাখছিল জুডো- ক্যারাটে জানা এইধরনের কিশোর-তরুণদের ওপর।তবে রুশ গোয়েন্দাচরিত্র স্টিয়ারলিটজ ছিল পুতিনের অন্যতম প্রিয় চরিত্র, তাঁর আদর্শেই নিজেকে গড়ে তুলতে চান পুতিন। ১৯৭৩ সালে ‘সেভেনটিন মোমেন্টস্ অব স্প্রিং’ মুক্তি পাওয়ার সময় ভ্লাদিমিরের বয়স ছিলো ২১। এর দু’বছর পরই ১৯৭৫ সালে তিনি যোগ দেন কেজি-বি-তে।
সেখানে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর তিনি ক্রেমলিনের কর্মী হিসাবে নিযুক্ত হন।তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, পরিস্থিতি আঁচ করার ক্ষমতা, তাকে অন্যদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে সবসবময়। সেই সঙ্গে ছিল হিমশীতল মানসিকতা। নিজের স্ত্রী ও কোনদিন জানতে পারেননি পুতিন কেজিবির গুপ্তচর ছিলেন ।আরও পড়ুন:

১৯৯৯ সালে পুতিন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাশিয়ার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন আকস্মিকভাবে পদত্যাগ গ্রহণ করার প্রেক্ষাপটেই তার এই দায়িত্বভার গ্রহণ। এরপর থেকে তিনি এ দায়িত্বে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
