পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: অন্য প্রেমে মজেছিলেন স্বামী। বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকতো। স্ত্রীর থেকে বেশ কয়েকবার চেয়েছিলেন মুক্তিও। ডিভোর্স নিতে নারাজ ছিল স্ত্রী। এদিন অশান্তি চরমে উঠতে স্ত্রীকে খুন করে  স্বামী। খুনের পর নিজের কৃতকর্ম লোকাতে খাটের বক্সে লুকিয়ে রাখে দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়ন জেলায়।
ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে অভিযুক্ত স্বামী। অভিযুক্তের নাম বিজয় পারমার।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম  দীপা। বয়স ৪০ বছর। স্থানীয় পালাখান্দা গ্রামের  বাসিন্দা।  ১৯৯৬ সালে  দীপা ও বিজয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। দম্পতির দুই সন্তানও রয়েছে।
২১ বছরের এক মেয়ে ও ১৭ বছরের এক ছেলে। এরই মধ্যে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত। সেই নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিবাদ লেগেই থাকতো। এদিন বচসা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেলে স্ত্রীকে খুন করেন বিজয়।

এদিকে পরিবারের কাছে বিজয় জানায় দীপাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ২৪ ঘণ্টা ধরে এদিক ওদিক খোঁজ করার পরও পরিবারের লোকেরা দীপার কোনও হদিশ পাননি। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরে পারমার।

সেই ঘোরেই আসল সত্যিটা বেরিয়ে আসে। সে নিজের মাকে জানায়, দীপাকে খুন করে তাঁর দেহ খাটের বক্সে লুকিয়ে রেখেছে। তারপর পারমারের পরিবারের সদস্যরাই পুলিশকে সমস্ত সত্যিটা জানান।

 পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিজয়কে গ্রেফতার করেছে। এদিকে খাটের বক্স থেকে দীপার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। দীপার গলার কাছে একটা দাগ লক্ষ্য করা গিয়েছে। পুলিশ বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।