পুবের কলম, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলি দখলদার বাহিনী (Israel Occupying Force) পশ্চিম তীর ও জেরুসালেমে অভিযান চালিয়ে ফিলিস্তিনি মেয়রসহ একাধিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে আটক করেছে।
আরও পড়ুন:
[caption id="attachment_153731" align="aligncenter" width="1000"]
অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল ফিলিস্তিনি মেয়র আবদুল ফাত্তাহ আবু আলী'কে বাড়ি থেকেই আটক করেছে[/caption]
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার ভোরে আইওএফ জেনিনের দক্ষিণে অবস্থিত সিলাত আল-জাহর শহরে অভিযান চালায়। এই সময় শহরের মেয়র আবদুল ফাত্তাহ আবু আলিসহ কয়েকজনকে বাড়িতে হামলা চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে জেনিনের দক্ষিণে অবস্থিত জাবা’ শহরে অভিযান চালিয়ে জায়েদ কানানকে আটক করা হয়।
অপরদিকে, জেনিনের পশ্চিমে কাফর দান শহরে অভিযান চালিয়ে শহরের রাস্তায় সামরিক যান মোতায়েন, নাগরিকদের গাড়ি তল্লাশি এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আরও দুই ফিলিস্তিনি নাগরিক;ইয়ামেন মারই ও মোহাম্মদ আজ্জাম মারইকে আটক করে ইসরাইলি সেনারা।আরও পড়ুন:
জেরুজালেমেও ইসরাইলি বাহিনী একই দিন আটক করেছে ইসলামিক সেমেট্রিজ কেয়ার কমিটির পরিচালক আহমদ আল-দাজানিকে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, তিনি সালাহ আল-দ্বীন সড়কে অবস্থান করছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। ওয়াফা জানায়, ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের ওপর এই অভিযান ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদি নীতির অংশ, যার লক্ষ্য ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করা।
একই সময়ে জেরুসালেমের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কাবিবা শহর থেকেও দুই যুবক;শেরিফ খালেদ আল-খুদর ও মোহাম্মদ আম্মার জাহরানকে আটক করা হয়। এতে ফিলিস্তিনি তরুণদের সঙ্গে ইসরাইলি সেনাদের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সেনারা গুলি ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে, ফলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিরা বলছে, কবরস্থান দখল ও ধর্মীয় স্থান পরিবর্তনের চেষ্টা জেরুসালেমের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের ওপর সরাসরি আঘাত। তাদের দাবি, এই ধরনের অভিযান ইসরাইলের পরিকল্পিত ক্ষ্মইহুদিকরণক্ষ্ম নীতিরই অংশ।