পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মেছুয়া বাজারে হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগুন নিভতেই একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার। অগ্নিকাণ্ডে মৃত কমপক্ষে ১৫। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আগুন নেভার পর একের পর এক মৃতদেহ বের করে আনা হয়। হোটেলে আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে হোটেল মালিক পলাতক।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার তিন সেনাপ্রধানের সঙ্গে মোদির বৈঠক, সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মেছুয়ার ফলবাজার সংলগ্ন ওই হোটেলে আগুন লাগে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। আতঙ্কে ছাদে উঠে যান অনেকে। প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপও দেন কেউ কেউ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। প্রায় ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়।
দমকল সূত্রে খবর, ১৩ জন শ্বাসরোধ হয়ে মারা গিয়েছেন। হোটেলে আগুন লাগার পর প্রাণ বাঁচাতে দুই হোটেলকর্মী ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।আরও পড়ুন:

হোটেলে আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আসেন মন্ত্রী শশী পাঁজাও। ফিরহাদ হাকিম জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছ থেকে ঘটনার খোঁজ নিয়েছেন। ঘটনার তদন্ত হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, “কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা দমকল ও পুলিশ খতিয়ে দেখবে।
এফআইআর হবে। ঘটনার তদন্ত হবে।”আরও পড়ুন:
ঘটনাস্থলে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তিনি বলেন, হোটেল মালিক পলাতক। তাঁর খোঁজ শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে যাবে বলে জানান।
আরও পড়ুন:
ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আটকাতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার উপর কড়া নজরদারির জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।