ইনামুল হক, বসিরহাট: নব্বুই ছুঁই ছুই এর বৃদ্ধের চোখ মুখের চামড়া গুটিয়ে গেছে। জঙ্গল থেকে কুড়ি ফুট দূরেই থাকেন পরান মন্ডল। একদা জীবিকা বলতে ছিল জঙ্গলের কাঠ ও মধু সংগ্রহ করা। বয়সের ভারে আর গভীর জঙ্গলে যেতে পারেন না। কয়েকবার জঙ্গলে কাঠ মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন দক্ষিণ রায়ের।
বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফিরেছেন। তার কথায়, এখানকার মানুষ বিশ্বাস করেন শতাব্দী প্রাচীন বনবিবির থানকেে।আরও পড়ুন:

তারা জীবিকার সন্ধানে জলে জঙ্গলে যাওয়ার আগে বনবিবিকে পুজো দিয়ে তারপর বেরিয়ে পড়ে। আবার ফিরে আসার সময় বনবিবির আশীর্বাদ নিয়ে বাড়ি ফেরে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর সামশেরনগর কুঁকড়ে খালি জঙ্গল নদীর পাশে এই বনবিবির থান বা স্থান যেন সুন্দরবনের হৃদপিণ্ড।
আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার এখানে আসবেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে পুজো দেবেন। তারপরে এখানে সুন্দরী, গরান, গেওয়ার চারা রোপন করবেন । তারপর এদিনের সফর শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী। পরান মণ্ডল বলছেন, দিদির কাছে আমাদের একটাই প্রার্থনা- বনবিবি র এই মাটির কাঁচা থানটাকে যেন পাকা করে দেন।
তাতেই আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।এলাকাবাসী মনে করেন দিদি যদি সুন্দরবনের পর্যটনের দিকে নজর দেন তাহলে এখানকার ভৌগলিক মানচিত্র একেবারে অন্য মাত্রায় চলে যাবেে।ব্যবসা থেকে কর্মসংস্থান সবটাই হবে। সোমবারও দেখা গেল বনবিবির স্থান নবরূপে সাজানো হচ্ছে। চলছে রং তুলির শেষ টাান। জঙ্গলের বাসিন্দারা অপেক্ষা করছে মুখ্যমন্ত্রী কখন আসবেন।আরও পড়ুন: