পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক:
আরও পড়ুন:
গাজা উপত্যকার আনুমানিক ২২ লাখ মানুষ এখন দক্ষিণের(গাজা) দুই তৃতীয়াংশ অংশে এসে জমায়েত হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন গৃহহীন ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাদের সামনে কী তাহলে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় অপেক্ষা করছে?এছাড়া আল-মাওয়াইসিতে বালি মাঠের মধ্যে স্থাপিত তাবুতে আশ্রয় নেওয়া শত শত ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকও আছে।
আরও পড়ুন:
কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চলছে তার শেষ দিন আজ। শুক্রবার গাজার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে, যা আজ সোমবার পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়ের চার দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়তো ইসরাইলি সামরিক বাহিনী- আইডিএফকে বাড়িয়ে নয়দিন দেরি করাবে। তবে সেটা নির্ভর করছে হামাস কতজন জিম্মিকে মুক্তি দিতে চায় তার ওপর।
আরও পড়ুন:
ইসরাইলি বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, জিম্মি মুক্তির এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যে যুদ্ধ, সেটা আবারও শুরু হবে। যদি ইসরাইলি বাহিনী এরপর গাজার দক্ষিণে মনোযোগ দেয় তখন পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? ইসরাইল ঘোষণা দিয়েছে, হামাস যেখানেই থাকবে, তাদের ধ্বংস করা হবে।
আরও পড়ুন:
ধারণা করা হচ্ছে হামাসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও মোহাম্মদ দেইফ, আরও যোদ্ধাদের সঙ্গে দক্ষিণেই কোথাও আছেন এবং খুব সম্ভবত ইসরাইলিদের জিম্মিদের একটা বড় অংশও তাদের সঙ্গে আছে। এখন যদি ইসরায়েল উত্তরে যেটা করেছে, সেই একই রকম অপারেশন দক্ষিণেও করতে চায়, তাহলে পশ্চিমাদের বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কি তখনও থাকবে?