সেখ কুতুবউদ্দিন: ২১শে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস। ২১ জুলাই মানেই উপচে পড়া ভিড়। কোভিড পরিস্থিতির জন্য গত ২ বছর প্রকাশ্য জনসমাবেশ হয়নি, তাই এবছর আর খামতি রাখতে চায় না।
আরও পড়ুন:
ঐতিহাসিকভাবে সভামঞ্চকে সফল করতে মুর্শিদাবাদ, মালদা সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা থেকে আগত মানুষদের ভিড়ে ঠাসা গীতাঞ্জলী স্টেডিয়াম ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। এ দিকে বুধবার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্টেডিয়ামের মানুষদের ভিড় সামলাতে এবং সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
সভায় আগে ভাগে হাজির হয়ে সভাস্থলে পৌঁছতে হবে।
কোথায় বসলে বা দাঁড়ালে ভালো হবে, তা দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মানুষদের ঢল লক্ষ করা গেল বৃহস্পতিবার থেকেই। অনেকে সভার সামনে বসবেন বলে আগে থেকেই ধর্মতলা চত্বরে ঘোরাঘুরি শুরু করেছেন। ধর্মতলা চত্বরের এখানে ওখানে অথবা সংলগ্ন গীতাঞ্জলী স্টেডিয়াম থেকে সকাল-সকাল সভাস্থলে হাজির হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানালেন মালদা, মুর্শিদাবাদ দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দারা।আরও পড়ুন:
[caption id="attachment_44715" align="alignnone" width="750"]
গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন- (ছবি-খালিদুর রহিম)[/caption]
বুধবার ধর্মতলায় দাঁড়িয়ে মালদার নাসিরউদ্দিন, বাদরুদ্দিন, কলিমউদ্দিন, শামিম আখতাররারা ‘পুবের কলম’কে বলেন, মঙ্গলবারই গীতাঞ্জলী স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছি। বৃহস্পতিবার সভা। তাই আগেভাগে এসেছি।
তাঁদের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১শের সভা থেকে দিশা দেবেন। সেইসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই চলবে, তার পরামর্শ দেবেন তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আরও পড়ুন:

দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দা সমীরণ দাস জানান, কোভিড পরিস্থিতির পর সভা। কয়েক বছর আসিনি। তাই এ বছর আগেভাগে সভামঞ্চে উপস্থিত হয়েছি। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে থাকছি।
সেখানে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তাঁদের কথায়, খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি হঠাৎ অসুস্থ হলে যাতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়, তার জন্য মেডিক্যাল ক্যাম্পও করা হয়েছে।আরও পড়ুন:

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, গীতাঞ্জলী স্টেডিয়াম, সল্টলেক স্টেডিয়াম প্রভৃতি জায়গায় রয়েছে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা, রয়েছে শৌচালয়। এছাড়া রান্না করার জন্য থাকার জায়গা থেকে একটু দূরে রান্না করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য টিম, দমকল, সহায়তা কেন্দ্র রাখা হয়েছে থাকার জায়গায়।
আরও পড়ুন:
একুশের দিনের অপেক্ষা, এই বিশাল সংখ্যক মানুষকে কী বার্তা দেন তার অপেক্ষায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। মালদা থেকে আগত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মোশারফ হোসেন বলেন, তৃণমূলের সভার আগে বিভিন্ন জেলার আগত কর্মীসমর্থকদের থাকার ও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এই ব্যবস্থা থেকে আপ্লুত কর্মীসমর্থকরা।
আরও পড়ুন: