২৯ অগাস্ট ২০২৫, শুক্রবার, ১২ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
"বাংলাতে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র"

উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে ‘বিদেশি’ তকমা, ফুঁসে উঠলেন মমতা

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার
  • / 118

(ছবি-খালিদুর রহিম)

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: আসামে ফরেনার্স ট্রাইবুনালের পাঠানো এনআরসি নোটিশ পেয়ে রাজবংশী সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি উত্তম কুমার ব্রজবাসী চরম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি বিস্ফোরক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, আমি হতবাক ও অত্যন্ত বিচলিত হয়েছি জেনে যে, কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা রাজবংশী সম্প্রদায়ের উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে অসমের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল, এনআরসি নোটিশ জারি করেছে। গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই বাংলার বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও, তাঁকে “বিদেশি/অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” সন্দেহে হয়রানি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: BREAKING: নেতাজি ইন্ডোরে মমতা, শুরু পুজো কমিটিদের নিয়ে বৈঠক

উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে 'বিদেশি' তকমা, ফুঁসে উঠলেন মমতা
উত্তম কুমার ব্রজবাসী

তিনি আরও লেখেন,এটি আমাদের গণতন্ত্রের উপর একটি পরিকল্পিত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটিই প্রমাণ করে যে অসমে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যেখানে তাদের কোনও  ক্ষমতা বা অধিকার নেই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভয় দেখানো, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এবং নিশানা করার একটি পূর্বপরিকল্পিত নোংরা চক্রান্ত চলছে। এই অসাংবিধানিক আগ্রাসন জনবিরোধী এবং এটি বিজেপির বিপজ্জনক ষড়যন্ত্রকে দিনের আলোর মত স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, গণতান্ত্রিক সুরক্ষাকে ধ্বংস করে বাংলার মানুষের পরিচয় মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।”

আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া ওয়ান্টস মমতাদি” ডাকে ২১শে জুলাই-এর শহীদ দিবসের প্রস্তুতি সভা

বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান,  এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সমস্ত বিরোধী দলগুলির একজোট হওয়া এবং বিজেপির বিভাজনমূলক ও দমন পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি। ভারতবর্ষের সাংবিধানিক কাঠামোকে ধ্বংস করা হলে, বাংলা চুপ করে থাকবে না।”

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার নবান্নে মমতা-ওমর আবদুল্লাহ সাক্ষাৎ

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

"বাংলাতে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র"

উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে ‘বিদেশি’ তকমা, ফুঁসে উঠলেন মমতা

আপডেট : ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: আসামে ফরেনার্স ট্রাইবুনালের পাঠানো এনআরসি নোটিশ পেয়ে রাজবংশী সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি উত্তম কুমার ব্রজবাসী চরম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি বিস্ফোরক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, আমি হতবাক ও অত্যন্ত বিচলিত হয়েছি জেনে যে, কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা রাজবংশী সম্প্রদায়ের উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে অসমের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল, এনআরসি নোটিশ জারি করেছে। গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই বাংলার বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও, তাঁকে “বিদেশি/অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” সন্দেহে হয়রানি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: BREAKING: নেতাজি ইন্ডোরে মমতা, শুরু পুজো কমিটিদের নিয়ে বৈঠক

উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে 'বিদেশি' তকমা, ফুঁসে উঠলেন মমতা
উত্তম কুমার ব্রজবাসী

তিনি আরও লেখেন,এটি আমাদের গণতন্ত্রের উপর একটি পরিকল্পিত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটিই প্রমাণ করে যে অসমে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যেখানে তাদের কোনও  ক্ষমতা বা অধিকার নেই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভয় দেখানো, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এবং নিশানা করার একটি পূর্বপরিকল্পিত নোংরা চক্রান্ত চলছে। এই অসাংবিধানিক আগ্রাসন জনবিরোধী এবং এটি বিজেপির বিপজ্জনক ষড়যন্ত্রকে দিনের আলোর মত স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, গণতান্ত্রিক সুরক্ষাকে ধ্বংস করে বাংলার মানুষের পরিচয় মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।”

আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া ওয়ান্টস মমতাদি” ডাকে ২১শে জুলাই-এর শহীদ দিবসের প্রস্তুতি সভা

বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান,  এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সমস্ত বিরোধী দলগুলির একজোট হওয়া এবং বিজেপির বিভাজনমূলক ও দমন পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি। ভারতবর্ষের সাংবিধানিক কাঠামোকে ধ্বংস করা হলে, বাংলা চুপ করে থাকবে না।”

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার নবান্নে মমতা-ওমর আবদুল্লাহ সাক্ষাৎ