পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক; পারদ পতন! একধাক্কায় ১১ ডিগ্রি নেমে গেল তাপমাত্রা। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় বেঙ্গালুরু শহরে এখন প্রায় শীতের আমেজ। এমনিতেই বেঙ্গালুরুতে আবহাওয়া বেশ আরামপ্রদ। তার ওপরে এই চমকপ্রদ শীতল আবহাওয়া যেন 'পড়ে পাওয়া ১৪ আনা।'
আরও পড়ুন:
বেঙ্গালুরুর এই আচমকা তাপমাত্রা বদল নিয়ে একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে।
মোবাইলে কোনও আবহাওয়ার অ্যাপে যে ভাবে তাপমাত্রা দেখা যায় সে ভাবে এক সঙ্গে এক ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে দেশের চারটি শহরের তাপমাত্রা। এই শহরগুলি হল নয়াদিল্লি, শিমলা, মুসৌরি এবং বেঙ্গালুরু। উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির সঙ্গে বেঙ্গালুরুর তাপমাত্রার ২ ডিগ্রি তফাৎ এবং হিমাচলপ্রদেশের শিমলার থেকে ১ ডিগ্রি কম হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে। এখন দক্ষিণ ভারতের শহর বেঙ্গালুরু উত্তরের শিমলার চেয়েও বেশি শীতল।আরও পড়ুন:
প্রবাসী বাঙালি মিলি চ্যাটার্জি ফোনে জানান, কয়েকদিন ধরে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা।
রাতে ফ্যান চালানোর প্রয়োজন পড়ছে না। গরমের হালকা কাপড়ও পরতে হচ্ছে। রাতের দিকে ঠান্ডার জন্য লেপও আলিমারিতে থেকে বের করতে হয়েছে। আমার ১৪ বছরের ছেলে মাঝেমধ্যেই গরমের জামা-কাপড় পরছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার কর্নাটকের রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বনিম্ন সাড়ে ১৯ ডিগ্রি।
এর আগেও আজ থেকে ৫০ বছর আগে মে মাসের গরমে বেঙ্গালুরুতে এতটাই ঠান্ডা পড়েছিল। বিশেষজ্ঞরা সেই পুরনো নথি ঘেঁটে জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালের ১৪ মে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল বেঙ্গালুরুর।আরও পড়ুন:
আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুসারে, আগামী বেশ কয়েকদিন বেঙ্গালুরুবাসী এই ধরনের আবহাওয়া উপভোগ করতে পারবেন। কর্নাটকের রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেই।
আরও পড়ুন:
তবে বেঙ্গালুরুর আবহাওয়া বেশ আরামপ্রদ হলেও হঠাৎ মে মাসে এত শীতল ওয়েদার কেন সেই নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আবহবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সমস্ত কিছুর পিছনে ঘূর্ণিঝড় অশনির হাত থাকতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকতে শুরু করেছে শহরে। প্রবেশ করেছে নীচুস্তরে থাকা বৃষ্টির সম্ভাবনাময় প্রচুর মেঘও। তার ফলে মে মাসেই ডিসেম্বরের আরাম উপভোগ করবে বেঙ্গালুরুবাসী।