- সিবিএসই-আইএসসি-র এনওসি এবার অনলাইনে
- কলেজের অধ্যাপক বদলির আবেদনও এবার পোর্টালে
- স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের আপ গ্রেডেশন
- সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখতে প্রাথমিকের বয়সসীমা বিবেচনা করা হবে।
আরও পড়ুন:
পুবের কলম প্রতিবেদক: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট এবার শিক্ষা দফতরের পোর্টালে পাওয়া যাবে। ২০১৫ সাল থেকে সমস্ত প্রার্থীর সার্টিফিকেট অনলাইনে আপলোড করে দেওয়া হবে। হার্ডকপির পাশাপাশি অনলাইনেও আপলোড থাকবে।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার বিকাশভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েদেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এ দিন তিনি বলেন, অনলাইনে সার্টিফিকেট দেওয়া হলে পড়ুয়াদের দ্রুত খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।
আরও পড়ুন:
ব্রাত্য বলেন, আই-ক্লাউড সফটওয়ারে ডিজি লকার-এ এই তথ্য দেওয়া থাকবে।
পড়ুয়াদের নির্দিষ্ট তথ্য দিলে সাটিফিকেট ও মার্কশিট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা।আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আইসিএসই, সিবিএসই-সহ কেন্দ্রীয় বোর্ডের স্কুলগুলি নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট পেতে বিশেষ বেগ পেতে হয়। প্রথমে অফলাইনে আবেদন করলেও বহুদিন ধরে তা শিক্ষা দফতরে পড়ে থাকে। এর ফলে শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগ যাতে আর না ওঠে, তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
আরও পড়ুন:
তিনি এ দিন আরও বলেন, উৎশ্রী সহ অন্যান্য পোর্টালের মতো এবার এনওসি সার্টিফিকেটও-এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিয়ে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। স্বচ্ছতা আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
একইসঙ্গে কলেজের শিক্ষক বদলির আবেদনেও অনলাইনে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।আরও পড়ুন:
একইসঙ্গে এ দিন স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ পোর্টালের আপ-গ্রেডেশনের উদ্বোধন করা হয়। এখন স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপে আবেদন করা যাচ্ছে। ব্রাত্য বসু বলেন, ২০২২ সালে স্বামী বিবেকানন্দ¨ স্কলারশিপে ৮ লক্ষ ৫৩ হাজার ২০৪ জন সুবিধা পেয়েছেন। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১২৮১ কোটি ৬৩ হাজার। ৬০ শতাংশ নম্বর পেলে আবেদন করা যাবে। স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিনস-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন ৫৩ শতাংশ নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা।
কন্যাশ্রী-৩ প্রার্থীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলেই আবেদনের যোগ্য হবেন। এ দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জটিলতার কারণে অনেকে বয়সসীমা অতিক্রম করেছে।আরও পড়ুন:
এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে প্রাথমিকের বয়স ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দেশের শীর্ষকোর্টে মামলা চলছে। সেই মামলার রায় দেখতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
এক প্রশ্নের জবাবে এ দিন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জটিলতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ সংকট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা মিটবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ সমস্যাও মিটবে। তবে কেন্দ্র ৩০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। কেন্দ্রের অর্থসাহায্যও মিলছে না। তবে রাজ্য সরকার সবরকমভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।