পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পার্ক স্ট্রিটে গুলিকাণ্ডে দেড় ঘন্টার অপারেশনে গ্রেফতার হামলাকারী। ধৃত সিআইএসএফ-এর হেড কনস্টেবল অক্ষয় মিশ্র। ওড়িশার ঢেঙ্কানলের বাসিন্দা তিনি।
আরও পড়ুন:

শনিবার সাড়ে ছটা নাগাদ গুলিতে কেঁপে ওঠে পার্ক স্ট্রিটের যাদুঘরের সামনের রাস্তা। এক সিআইএসএফ-জওয়ানের ছোঁড়া পর পর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সিআইএসএফ জওয়ানের। মৃতের নাম রঞ্জিত ষড়ঙ্গী। আহত সুবীর ঘোষ নামের আরও এক সিআইএসএফ জওয়ান। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে প্রবল উত্তেজনা। যাদুঘরের লাইট নিভিয়ে চলে সার্চ। কেন কি কারণে এই ঘটনা ঘটলেন অপর সিআইএসএফ জওয়ান তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি।https://www.youtube.com/watch?v=Ulycou_TA3o
সিপি জানিয়েছেন, সাড়ে ৬টা নাগাদ আমাদের কাছে খবর আসে। ১৫ রাউন্ড গুলি চলে। বুঝিয়ে নিরস্ত্র করে গ্রেফতার'।
আরও পড়ুন:

সূত্রের খবর, যার মৃত্যু হয়েছে, যিনি গুলি চালিয়েছেন দুজনের বাড়ি ওড়িশায়।
উঠে আসছে ছুটির প্রসঙ্গ। যার ওপর গুলি চালানো হয়েছে, তার কারণে অভিযুক্তের ছুটি বাতিল হয়। অভিযুক্তের বাবা মারা গেছে। তার জন্য ছুটি চেয়েও সে পায়নি বলে জানা গেছে। সেই কারণে কোনও রাগ বা মানসিক চাপে গুলি চালানো হতে পারে বলে প্রাথমিক সূত্রে খবর।তবে কি কারণে গুলি চলে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অভিযুক্তকে নিয়ে কলকাতা পুলিশের কর্মীরা যখন গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সে রাস্তায় থাকা মানুষের দিকে চেয়ে অভিযুক্ত হাত নাড়ে। তবে ঘটনা টার্গেট কিলিং বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

এদিন গ্রেফতারের আগে অভিযুক্ত আশুতোষ শতবর্ষে ব্যারাকে গিয়ে আশ্রয় নেন। গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। তার অগ্নিমূর্তি চেহারা দেখে সেখানে কর্তব্যরত জওয়ানরা পালিয়ে আসে। পুলিশ যখন তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন, তখন সে পুলিশকে নিরস্ত্র অবস্থায় ভিতরে আসতে বলে। তার সমস্যার কথা শোনা হয়। অনেক বোঝানোর পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গাড়ি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মধ্যে কোনও আত্মগ্লানি দেখা যায়নি। গাড়ির মধ্যে হাত নাড়তে দেখা যায় ধৃত সিআইএসএফ জওয়ানকে। কিন্তু এই ঘটনায় নিরাপত্তার মুখে কলকাতা শহরের নিরাপত্তা।