০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী, পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ পুজোর আগে ফের কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা আবহে ফের বড়সড় ঘোষণা করলেন তিনি। গত বছরের মতো এবারেও একইভাবে ক্লাবগুলির পাশে থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বছরও প্রতিটি পুজো কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে পুজোর খরচ বাবদ। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিল-সহ অন্যান্য সমস্ত লাইসেন্স খরচও মুকুব করা হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোরে  দুর্গাপুজোর গাইডলাইন নিয়ে বৈঠকে এমনটাই জানালেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন ক্লাবগুলিকে আশ্বস্ত করে বলেন, গত বছর রাজ্য সরকার যেভাবে ক্লাবগুলি পাশে ছিল এবারেও সেইভাবে পাশে আছি। পুজোর অনুদানের ঘোষণার সময় একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী সারা রাজ্যে প্রায় ৩৬ হাজার বড় পুজো হয়। এর মধ্যে কলকাতার রেজিস্টার্ড ক্লাবের সংখ্যা ২৫০০। এই সব উদ্যোক্তাই ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য সুবিধে পাবে।

তবে কোভিডকালে পুজো কমিটিগুলোকে ছোট করে সুন্দর করে পুজো করতে হবে বলেও জানান মমতা। সেইসঙ্গে পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশে দর্শনার্থীদের কোভিডবিধি নির্দেশিকা মেনে চলার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন  বলেন, “দুর্গাপুজোকে বিশ্বের এক নম্বর ফেস্টিভাল বলে মনে করি। কুইন্স ইউনিভার্সিটি এবং আইআইটি খড়গপুর সার্ভে করেছিল গড়ে ৩২ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ হয় দুর্গাপূজায়।”

মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন,  তৃতীয় ঢেউ যদি না আসে তবে এ বছর পুজোর বিসর্জন হবে ১৫, ১৬,  ১৭ অক্টোবর।

সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী, পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ পুজোর আগে ফের কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা আবহে ফের বড়সড় ঘোষণা করলেন তিনি। গত বছরের মতো এবারেও একইভাবে ক্লাবগুলির পাশে থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বছরও প্রতিটি পুজো কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে পুজোর খরচ বাবদ। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিল-সহ অন্যান্য সমস্ত লাইসেন্স খরচও মুকুব করা হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোরে  দুর্গাপুজোর গাইডলাইন নিয়ে বৈঠকে এমনটাই জানালেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন ক্লাবগুলিকে আশ্বস্ত করে বলেন, গত বছর রাজ্য সরকার যেভাবে ক্লাবগুলি পাশে ছিল এবারেও সেইভাবে পাশে আছি। পুজোর অনুদানের ঘোষণার সময় একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী সারা রাজ্যে প্রায় ৩৬ হাজার বড় পুজো হয়। এর মধ্যে কলকাতার রেজিস্টার্ড ক্লাবের সংখ্যা ২৫০০। এই সব উদ্যোক্তাই ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য সুবিধে পাবে।

তবে কোভিডকালে পুজো কমিটিগুলোকে ছোট করে সুন্দর করে পুজো করতে হবে বলেও জানান মমতা। সেইসঙ্গে পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশে দর্শনার্থীদের কোভিডবিধি নির্দেশিকা মেনে চলার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন  বলেন, “দুর্গাপুজোকে বিশ্বের এক নম্বর ফেস্টিভাল বলে মনে করি। কুইন্স ইউনিভার্সিটি এবং আইআইটি খড়গপুর সার্ভে করেছিল গড়ে ৩২ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ হয় দুর্গাপূজায়।”

মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন,  তৃতীয় ঢেউ যদি না আসে তবে এ বছর পুজোর বিসর্জন হবে ১৫, ১৬,  ১৭ অক্টোবর।