পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে নরেন্দ্র মোদি সরকার যে বাজেট ঘোষণা করেছে তাতে ব্যাপক ভাবে কমানো হয়েছে সংখ্যালঘু খাতের বাজেট। সম্প্রতি সংসদে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি জানিয়েছেন, আগের বছরের চেয়ে এবার ৩৮ শতাংশ কমেছে সংখ্যালঘু বাজেট।
আরও পড়ুন:
লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ইরানি জানান, আগের বছরের সংখ্যালঘু বাজেট ছিল ৫০২০ কোটি টাকা। সেই বাজেট এবার কমে হয়েছে ৩০৯৭ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু খাতে আগে যে বরাদ্দ ছিল, তা নাকি মন্ত্রক ঠিকমতো ব্যবহারই করতে পারেনি।
তাই নতুন বাজেটে বরাদ্দ কম করা হয়েছে বলে জানান স্মৃতি ইরানি। কেন্দ্র সরকার প্রি-ম্যাট্রিক স্কলারশিপও বন্ধ করে দিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও পার্লামেন্টে প্রশ্ন উঠেছে। বিএসপি সাংসদ দানিশ আলি এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।আরও পড়ুন:
এর জবাবে মন্ত্রী সাফাই দিতে গিয়ে বলেন,শিক্ষার অধিকার আইনের মধ্যে এই প্রিম্যাট্রিক স্তর পড়ছে।
সেখানে খরচ তেমন কিছু নেই। তাই আলাদা করে কোনও স্কলারশিপ দরকার নেই বলে মনে করছে কেন্দ্র সরকার। আর নবম-দশমে সংখ্যালঘু পড়ুয়ার সংখ্যাও বেড়েছে। তাই আর স্কলারশিপ দিয়ে উৎসাহ দেওয়ার দরকার নেই। এভাবে আসলে সংখ্যালঘুদেরশিক্ষায় অনুৎসাহিত করছে মোদি সরকার,মত ওয়াকিফহাল মহলের।
সংখ্যালঘুদের জন্য প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত যে বৃত্তি দেওয়া হত, সেই টাকাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষায় গবেষকদের জন্য মাওলানা আজাদ রিসার্চ ফেলোশিপের টাকাও কমানো হয়েছে। এই ঘোষণা কিছুদিন আগে করা হয়েছিল, বাজেটে তা প্রতিফলিত হয়েছে। আর্থিক সাহায্য কমেছে মাদ্রাসা শিক্ষাতেও। গত বছর যেখানে ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেখানে এ বছর মাত্র ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: