পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : হুগলির সিঙ্গুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে একটি নার্সের যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তা যথষ্টই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এমনকি মৃত নার্সের মৃতদেহ নিয়েও চলছে রাজনৈতিক তরজা। তরুণীর পরিবারের সদস্যরা চাইছে যে তাদের মেয়ের ময়নাতদন্ত করা হোক কেন্দ্রীয় হাসপাতালে।
আরও পড়ুন:
সুত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের মর্গে শুক্রবারে দেহ সংরক্ষণ করে রাখা হবে।
রাজ্য প্রশাসনের উপরে ভরসা রাখতে পারছে না ত্রুণীর পরিবার। তাদের দাবি তআদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করার দিকেই আপাতত ঝুঁকছেন তাঁরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ বলেন, ‘মৃতার বাবা আমাদের একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ওঁর পরিবারের প্রতি আমাদের সকলের একটা দায়িত্ব রয়েছে। মেয়েটির পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সেটা দেখাই আমাদের দায়িত্ব।’আরও পড়ুন:
গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার দুপুরে, শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতাল থেকে মৃত তরুণীর দেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঠিক তারপরেই দফায় দফায় কলকাতা পুলিশের মর্গের সামনে একপ্রকার হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন সিপিএম এবং বিজেপির কর্মীরা।
সিপিএমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, ‘বিজেপি এখানে এসে গন্ডগোল পাকাতে চাইছে। সরকারকে সুবিধা করে দিচ্ছে। আত্মহত্যার বলে চালিয়ে দিতে চাইছে’।আরও পড়ুন:
মৃতার পরিবারের দাবি করছে, কম্যান্ড হাসপাতালে অথবা এইমস হাসপাতালে তাদের মেয়ের ময়নাতদন্ত করা হোক। গত বৃহস্পতিবারই মৃতার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখনই হাসপাতালের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম এবং বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনার পরই মৃতার দেহ কলকাতা পুলিশের মর্গে নিয়ে আসা হয়েছে।