পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্যের ভোটার তালিকায় ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হলে সাধারণ ভোটারদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রতিটি জেলায় বিশেষ হেল্পডেস্ক তৈরির নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি দিল্লিতে দু’দিনের সম্মেলনের পর কমিশন এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ইতিমধ্যেই অবগত করা হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
সম্মেলন শেষ হওয়ার পর মনে করা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশজুড়ে যেকোনো দিন এসআইআর লাগু হয়ে যেতে পারে। এই আবহে সমস্ত রাজ্যের সিইও দফতরকে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন:
আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি; এই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। কমিশনের সম্পূর্ণ বেঞ্চ এই রাজ্যগুলির নির্বাচনী কর্তা বা সিইওদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এসআইআর লাগু হওয়ার পর রাজ্যের প্রতিটি জেলায় হেল্পডেস্ক তৈরি করা হবে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক দফতর, ইআরও বা এসডিও, এইআরও বা বিডিও দফতর; অর্থাৎ জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরে এই হেল্পডেস্ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হেল্পডেস্কের কাজ কী?
এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মনে বহু প্রশ্ন থাকে। যেমন, কী কী নথি দেখাতে হবে, কীভাবে ফর্ম পূরণ করতে হবে, কোথায় ফর্ম জমা দিতে হবে; এই ধরনের যাবতীয় প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে এই হেল্পডেস্কগুলি। সাধারণ ভোটারদের এসআইআর-এর বিষয়টি সহজভাবে বোঝাতে এবং তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা জানতে ও জানাতেই নির্বাচন কমিশন এই হেল্পডেস্ক তৈরির নির্দেশ দিয়েছে।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, জানা গিয়েছে যে ২০০২ সালের ভোটার তালিকার উপর ভিত্তি করেই হবে ২০২৫ সালের এসআইআর। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে ম্যাপিং ও ম্যাচিং সংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে। কোন জায়গায় অসুবিধা হচ্ছে, সবকিছু স্পষ্ট করে রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রাজ্যের কাছ থেকে সঠিক রিপোর্ট পাওয়ার পরই কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করবে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
