আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: কাতার বিশ্বকাপ জমে উঠেছে ইতিমধ্যেই। যদিও আয়োজক দেশ কিন্তু প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাতে পারেনি। এই প্রথম কোন মুসলিম দেশে বসেছে বিশ্বকাপের আসর। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, হালাল খাবার স্টেডিয়ামে বন্দোবস্ত আছে সবকিছুই। অমুসলিমরাও নিজেদের মত করে আপন করে নিচ্ছেন মুসলিম সংস্কৃতিকে।
এটাই বোধহয় আয়োজক দেশ হিসেবে কাতারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে কোনো কিছুই মিস করতে চান না দর্শকরা। এবার মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের একটি উপকরণ হিজাব পরার স্বাদও নিচ্ছেন অনেকে। ইনস্টাগ্রামে ভেসে বেড়াচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের হিজাব পরার সেসব ছবি।
আরও পড়ুন:
কাতার ‘দাওয়াত' বা আমন্ত্রণের মুহূর্তগুলো সুন্দর করে তুলেছে।
২০২২ সালের বিশ্বকাপে ইসলামের নানা ঐতিহ্য ফুটবলের দর্শকদের কাছে তুলে ধরছেন কাতারের নাগরিকরা।আরও পড়ুন:
অনেক মহিলা দর্শককে হিজাব পরিয়েও আনন্দ দিচ্ছেন তারা। আর বিদেশি ফুটবলপ্রেমীরা সেই ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানাতে কুণ্ঠাবোধ করছেন না। বরং অনেকেই প্রথমবার হিজাব পরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
আরও পড়ুন:
একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ফুটবল স্টেডিয়ামের স্বেচ্ছাসেবীরা মহিলা দর্শকদের হিজাব পরিয়ে আনন্দ দিচ্ছেন।
বিশেষ করে যারা বিশ্বকাপের খেলা দেখতে প্রথমবার কাতারে গেছেন।আরও পড়ুন:
ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে , একজন স্বেচ্ছাসেবক এক মহিলা দর্শককে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি হিজাব পরতে চান?
আরও পড়ুন:
ব্রাজিলের জার্সি পরিহিত ওই মহিলা বলেন, ঠিক আছে, কোনো সমস্যা নেই। এরপর হিজাব পরে দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো উদ্বোধনী পর্বে পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত পাঠ করা হয়। মার্কিন অভিনেতা মর্গান ফ্রিম্যান ও কাতারের তরুণ ঘানিম আল-মিফতাহের সংলাপে দেওয়া হয় ইসলামের সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা। ফুটবল অনুরাগীদের কাছে ইসলামের পরিচিতি ও মুসলিম সংস্কৃতি তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কাতারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।