পুবের কলম প্রতিবেদকঃ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল 'বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস'। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়।
আরও পড়ুন:
স্বাগত ভাষণ দেন আরবির বিভাগীয় প্রধান ড. নজমুল হক। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের মিটিংয়ে যোগ দিতে কলকাতায় থাকার কারণে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য শান্তি ছেত্রী অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি। তারপরও লাইভ মোবাইল বার্তায় তিনি বলেন– বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ভাষা হল আরবি।
বহু দেশের সরকারি ভাষা হওযার পাশাপাশি এটি জাতি সংঘেরও দাপ্তরিক ভাষা।আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবসে এ বছর ইউনেস্কোর থিম হল– আরবি ভাষা– বিশ্ব সভ্যাতা সমূহের সেতুবন্ধনকারী। সমৃদ্ধ সাহিত্যের অধিকারি এই ভাষা ভারতের সাথে আরব বিশ্বের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ঘটাতে পারে। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠিত অন্য ভাষাগুলির সঙ্গে আরবিকে সংযুক্ত করে যৌথভাবে নতুন কোনও পাঠ শুরু করা যায় কিনা সেটাও তিনি ভেবে দেখতে বলেন।
আরও পড়ুন:
বিশেষ অতিথির ভাষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন আধিকারিক তথা উপনিবন্ধক রাজীব পুততুণ্ড এদিন মিশরীয়– ভারতীয়– চিন তথা বিশ্ব সভ্যতার মাঝে আরবি ভাষা কীভাবে সেতুবন্ধনের কাজ করেছে তার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।
একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের আরবিতে ব্যুৎপত্তি অর্জনের ওপরেও জোর দেন তিনি।আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষানিয়ামক বিশ্বরূপ সরকার মহান সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহনের আরবি চর্চার কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন:
ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় যে ন্যায়– স্বাধীনতা– সাম্য ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে তার পিছনেও রয়েছে আরবি ভাষায় রচিত কুরআন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও বিশিষ্টদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপিকা হোসনেআরা খাতুন– আরবি বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক সাইফুদ্দিন– এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপিকা শাগুফতা শাহিন– ইতিহাসের বিভাগীয় প্রধান ছাওং সুব্বা প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
শিক্ষকদের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীরাও আরবি– বাংলা– ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় কবিতা– সংগীত– বক্তব্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. মেহেদি হাসান।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, এ বছর ১৮ ডিসেম্বর শনিবার অর্থাৎ ছুটির দিন হওয়ায় দিবসটি বুধবার পালিত হল।
আরও পড়ুন: