পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ আজ বগটুই গ্রামে গিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। নেই, পালিয়ে গেছে এসব আমি কিছু শুনব না। যেখানে গেছে সেখান থেকে ধরে আনুন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, আমি ডিজিপি কে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি। আমি আর কোনও অভিযোগ শুনতে চাই না।
তদন্তের কারণে যদি আধিকারিকরা যে বাড়িতে ঢুকতে চায়, তাহলে পুলিশ থাকবে। ভাদু শেখের পরিবার ও যাদের বাড়ি আগুনে পুড়ে গেছে, তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। একবার পুলিশ এল আর ঘুরে চলে গেল, সেটা হবে না। এখানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে পুলিশ কাজ করবে তাকে সালাম, আর যে কাজ করবে না, তার এখানে জায়গা নেই। সারা বাংলা থেকে পুলিশকে দ্রুত অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের নির্দেশ।আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যারা এখনও গ্রেফতার হয়নি, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করুন। পালিয়ে গেছে কথা শুনতে চাই না। যেখানে আছে তাদের ধরে আনুন। আমি এমন শাস্তি চাই, যাতে আর কোনও দিন এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, রামপুরহাটের বাগতুই গ্রামে গণহত্যার ঘটনা নিয়ে কড়া পদক্ষেপের পথেই হেঁটেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।
তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে রয়েছেন এডিজি সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংহ। বাকি দুই সদস্য হলেন এডিজি পশ্চিমাঞ্চল সঞ্জয় সিংহ এবং ডিআইজি সিআইডি (অপারেশন) মিরাজ খালিদ।আরও পড়ুন:
ঘটনায় জড়িত কাউকে যাতে ছাড়া না হয়, তার জন্য বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দলকে। শুধু যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে তা নয়, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে রামপুরহাটের ওসি ত্রিদীপ প্রামাণিককে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রামপুরহাটের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সায়ন আহমদেকেও। দল মত নির্বিশেষে গ্রেফতার নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।
আরও পড়ুন: