বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ৪,৭৮০ জন ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৬০টি শিশু, ২৯ জন নারী এবং ৯১৫ জন পুরুষকে কোনও অভিযোগ ছাড়াই আটকে রেখেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। (হাইলাইটস)
আরও পড়ুন:
পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: যায়নবাদী ইসরাইলের কারাগার থেকে ১৭ বছর পর মুক্তি পেলেন ৮৩ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি নাগরিক ফুয়াদ শুবাকি। ইসরাইলের কারাগারে বন্দি থাকা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন তিনি। প্যালিস্টিনিয়ান প্রিজনার্স ক্লাবের এক মুখপাত্র জানান, ফুয়াদ শুবাকিকে ইসরাইলের আশকেলন কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন।আরও পড়ুন:
শুবাকির ছেলে হাজেম এই খবর নিশ্চিত করেছেন। শুবাকি, ফিলিস্তিনের ফাতাহ আন্দোলনের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য ছিলেন। ২০০২ সালে দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে কারিন নামের একটি জাহাজে করে ইরান থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় অস্ত্র পাচারের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
ইসরাইলি সেনা দাবি করেছিল, জাহাজটিতে ৫০ টনের মতো অস্ত্র ছিল। এগুলোর মধ্যে ছিল স্বল্প পাল্লার কাতিউশা রকেট ও ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়াও শুবাকি ইরান এবং লেবাননভিত্তিক সংগঠন হিজবুল্লাহর কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক দ্রব্য এনেছিলেন বলে দাবি ইসরাইলের। ২০০২ সালে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আটক করেছিল শুবাকিকে। এরপর তিনি মার্কিন ও ব্রিটিশ তত্ত্বাবধানে পশ্চিম তীরের জেরিকো শহরের একটি কারাগারে ছিলেন।
আরও পড়ুন:
২০০৬ সালে ইহুদি সেনা কারাগারে হামলা চালিয়ে শুবাকিকে ইসরাইলে নিয়ে যায়। এরপর ইসরাইলি সামরিক আদালতে শুবাকির বিচার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে এই সাজা কমিয়ে ১৭ বছর করা হয়। অবশেষে ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ মুক্তি পেলেন শুবাকি। উল্লেখ্য, বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ৪,৭৮০ জন ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৬০টি শিশু, ২৯ জন নারী এবং ৯১৫ জন পুরুষকে কোনও অভিযোগ ছাড়াই আটকে রেখেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।