পুবের কলম প্রতিবেদক : রাজ্যের স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালে নিয়োগের চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। এবার কয়েক হাজার শূন্যপদে নিয়োগের জন্য রাজ্য ও মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের কাছে তদবির করছে পুর-কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি পুর-অধিবেশনে এ কথা জানান সংশ্লিষ্ট মেয়র পারিষদ। সম্প্রতি বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ অধিবেশনে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কলকাতা কর্পোরেশনের স্থায়ী শূন্য পদ কত? নিয়োগ নিয়ে কী ভাবছে কর্তৃপক্ষ? উত্তরে কলকাতা কর্পোরেশনের অবস্থা জানান মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, কলকাতা কর্পোরেশনের অনুমোদিত স্থায়ী পদ ৪৬, ৪১৮টি। এর মধ্যে স্থায়ী শূন্যপদের সংখ্যা ৩১,৯০০ টি।

জানা গিয়েছে, ২২৬২৪টি পদে সরাসরি নিয়োগ সম্ভব। রাজ্য সরকারের অনুমোদনের জন্য ৭২৯৫টি পদের ফাইল পাঠানো হয়ছে। ৮৬৪টি পদে নিয়োগের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনকে জানানো হয়েছে। বাকি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের জন্য রাজ্যের কাছে ফাইল পাঠানো প্রক্রিয়া চলছে।

ইতিমধ্যে কলকাতা কর্পোরেশন কর্মী সংখ্যা বিন্যাস কমিটি তৈরি করেছে। কেননা, এমন কিছু পদ আছে যেগুলির আর প্রয়োজন নেই।অন্যদিকে সময় পরিবর্তনের সঙ্গে নয়া পদ তৈরি জরুরি হয়ে পড়ছে। এগুলি তৈরি করছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

এ নিয়ে কংগ্রেস নেতা সুমন রায়চৌধুরী বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরে অর্থ অনুমোদন না-দিয়ে সেই টাকায় মেলা, খেলা, পুজো করান। কাউন্সিলররা বেআইনি পথে টাকা রোজগার করে বলেকর্পোরেশনের কোষাগারের টাকার টান থাকে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, রাজ্যে পাঁচ লক্ষের উপর শূন্যপদ। কলকাতা কর্পোরেশন ৩২ হাজার কাছাকাছি।

পরিষেবা যেমন ধরে রাখা দুষ্কর হচ্ছে তেমনই বেকারদের কান্না এদের কানে ঢুকছে না। আমাদের দাবি অবিলম্বে স্থায়ী পদে নিয়োগ দরকার। আর সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, সহজ ভাষায় একটাই কথা তৃণমূলকে তাড়াতে হবে না-হলে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের যন্ত্রণার উপশম হবে না। আগে ২৬ হাজার শূন্যপদে ছিল, এখন বেড়ে হল ৩১ হাজারের বেশি। আমরা ফের শূন্যপদে নিয়োগের দাবি সামনে রেখে আন্দোলনে যাব।