বিশেষ প্রতিবেদন : ১৯৮০-র দশকে ৬৪ হাজারেরও বেশি পরমাণু বোমা ছিল বিশ্বে। আন্তর্জাতিক চুক্তির কারণে এই সংখ্যা আজ অনেকটাই কমেছে। কিন্তু অনেক দেশে এখনও প্রচুর পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে যার ব্যবহারে মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যাতে পারে সবকিছু। এসব বোমার সংখ্যা কমানোর চেষ্টা চলছে। কোন দেশের কাছে কতগুলি পরমাণু বোমা আছে তা জেনে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুন:
রাশিয়ার কাছে ৬৩৭৫টি
আরও পড়ুন:
স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইন্সটিটিউট সিপ্রি-র তথ্য অনুসারে রাশিয়ার কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি পরমাণু বোমা রয়েছে৷ দেশটিতে এ ধরনের বোমার সংখ্যা ৬৩৭৫টি। ১৯৪৯ সালে রাশিয়া প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করেছিল।
আরও পড়ুন:
আমেরিকার কাছে ৫৮০০টি
আরও পড়ুন:
আমেরিকাই প্রথম পারমাণবিক বোমা বানিয়েছে এবং আমেরিকাই একমাত্র দেশ যারা যুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহার করেছে। দেশটির কাছে এখন ৫৮০০টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
চিনের কাছে ৩৫০টি
আরও পড়ুন:
৩৫০টি পারমাণবিক বোমা আছে চিনের যা রাশিয়া বা আমেরিকার তুলনায় অনেকটাই কম। তবে ধীরে ধীরে দেশটি এই সংখ্যা বাড়াচ্ছে৷
আরও পড়ুন:
ফ্রান্সের কাছে ২৯০টি
আরও পড়ুন:
ফ্রান্সের কাছে পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে ২৯০টি৷ এগুলির অধিকাংশই রয়েছে সাবমেরিনে৷ দেশটির অন্তত একটি সাবমেরিন সবসময় পরমাণু বোমা নিয়ে টহল দেয়৷
আরও পড়ুন:
ব্রিটেনের কাছে ২১৫টি
আরও পড়ুন:
২১৫টি পরমাণু বোমা রয়েছে ব্রিটেনের কাছে৷ ১৯৫২ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় দেশটি।
আরও পড়ুন:
ইসরাইলের কাছে ৯০টি
আরও পড়ুন:
নিজের দেশের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে তেমন কিছু জনসমক্ষে কিছুই প্রকাশ করে না ইসরাইল৷ যদিও দেশটির কাছে ৯০টি পারমাণবিক ‘ওয়ারহেড’ আছে বলে উল্লেখ করেছে স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইন্সটিটিউট৷
আরও পড়ুন:
পাকিস্তান-ভারতও শক্তিশালী
আরও পড়ুন:
প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে কয়েকবার যুদ্ধে জড়িয়েছে পাকিস্তান৷ দেশটির কাছে আছে ১৬০টি পরমাণু বোমা৷ সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যা বাড়িয়েছে দেশটি৷ পারমাণবিক বোমার সংখ্যা বাড়াচ্ছে ভারতও৷ দেশটি প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৭৪ সালে৷ ভারতের কাছে এখন ১৫০টি পরমাণু বোমা রয়েছে৷