পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার থাকলেও বেলা গড়াতেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতে। ভ্যাপসা গরম থেকে খানিকটা রেহাই পেলেও ভারি বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হয়েছে সাধারণ জনজীবন। স্কুল কিংবা অফিস যাবার মুহূর্তে বৃষ্টির জেরে খানিকটা অস্বস্তিতে পড়েছে সাধারণ জনজীবন।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় জলপাইগুড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ২ ডিগ্রি বেশী।
বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩%। উত্তরবঙ্গ জুড়ে গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি পাতের পরিমাণ হলআরও পড়ুন:

১ জলপাইগুড়ি - ৪.৭ মিলিমিটার,
আরও পড়ুন:
২) আলিপুর দুয়ার - ১৪.২ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৩) কোচবিহার - ১৩.২ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৪) শিলিগুড়ি - ৬.৮ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৫) দার্জিলিং - ৩৮.০৪ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৬) কালিম্পং - ১৭.৪ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৭) বাগরাকোট - ৩৩.৯ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
৮) সুখিয়া পোখরি - ০০.০০ মিলিমিটার
৯) সেবক - ১৪.২ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
১০) গ্যাংটক - ১০.৬ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
১১) চুংথাম - ৭.৬ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
১২) দামথাং - ৩৩.৮ মিলিমিটার
আরও পড়ুন:
আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুর দুয়ার, কোচবিহার এই চার জেলায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার সকালেও তিস্তায় লাল সতর্কতা জারি রয়েছে। একইসঙ্গে জলঢাকা নদীর উভয় পারে হলুদ সংকেত জারি রয়েছে।
তবে নতুন করে পাহাড়ে তেমন বৃষ্টি না হওয়ায় তিস্তার জলস্তর ধীরে ধীরে কমছে।আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য,পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির জেরে বৃহস্পতিবার সকালে তিস্তার জল বেড়ে যায়। ফলে সেচ দফতর নদীর অসংরক্ষিত এলাকার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত লাল সতর্কতা এবং সংরক্ষিত এলাকায় জারি ছিল হলুদ সংকেত।শুক্রবার সকালে তিস্তা সেচ প্রকল্পের গজল ডোবা থেকে ১৫৫৮ কিউমেক জল ছাড়া হয়েছে বলে সেচ দফতরের ফ্লাড কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: