পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় দ্রুত ভারতের উপকূলীয় এলাকার দিকে ধেয়ে আসছে। এটি আরব সাগর সংলগ্ন সমস্ত রাজ্যে (গুজরাত, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কর্নাটক, কেরল) এর প্রভাব দেখাতে শুরু করেছে। কেরল, কর্নাটক,  এবং  গোয়ার পরে, মহারাষ্ট্রের মুম্বই সহ অনেক শহরে বৃষ্টি এবং দ্রুতগতির ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

 গুজরাতের সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ উপকূলেও প্রবল বাতাস বইছে। জামনগর ও মুম্বইয়ে সমুদ্রে বড় বড় ঢেউ দেখা যাচ্ছে।
এই বিষয়টি মাথায় রেখে এই রাজ্যগুলির উপকূলীয় এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজস্থানের কিছু এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আজ ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় নিয়ে বিকেল ৩টের সময় গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করবেন অমিত শাহ। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে তিনি ফোনে কথা বলেছেন এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তীব্র হাওয়ার দাপটে গাছ পড়ে ইতিমধ্যে গুজরাটে ২ শিশু সহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে পোরবন্দরের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’। এটি ধীরে-ধীরে সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ্ব উপকূল এবং সংলগ্ন পাকিস্তানের জাখাউ বন্দরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আগামী ১৫ জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে গুজরাতের কচ্ছ্ব উপকূল ও পাকিস্তান উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়  ‘বিপর্যয়’। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’-এর প্রভাব সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে গুজরাত সহ পার্শ্ববর্তী  রাজ্যগুলিতে।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পশ্চিম রেলওয়ে ৬৭টি ট্রেন বাতিল করেছে। সোমবার রাত পর্যন্ত গুজরাতের উপকূলবর্তী এলাকাগুলি থেকে ১০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।