পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতান ও উধমপুরে ‘শহিদ’ হওয়া ঝন্টুর পরিবারকে দেখা যায় ধর্মতলার মঞ্চে। তাদের  স্বাগত জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সকলকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানালেন মমতা। দুই পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা করলেন তিনি। জানালেন, দলের সব কর্মী ১ টাকা করে দিয়েছেন তাঁদের সাহায্যার্থে।

♦ এদিনের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়েই তিনি বলেন, আমি সম্মান জানাই সমস্ত শহিদের পরিবারকে। ঝন্টু আলি শেখের বাবা সবুজ আলি শেখ এসেছেন।

বিতান অধিকারীর বাবা বীরেশ্বর অধিকারী ও মা মায়া অধিকারী এসেছেন। তাঁদের সম্মান জানাই।’’

♦ মমতার দাবি, কেন্দ্রের বঞ্চনার সত্ত্বেও তাঁর সরকার বাংলার মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনেক জনহিতকর প্রকল্প রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

♦ আবাস প্রকল্পে গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মস্থানের উন্নতিকল্পে কাজ করেছে তৃণমূল সরকার। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে।

♦ উপস্থিত সকলকে শ্রদ্ধা জানিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপির বিরুদ্ধে। শহিদ দিবসের কথা মনে করিয়ে তাঁর চ্যালেঞ্জ, ”৩৩ বছর আগে শুরু হওয়া আমাদের এই লড়াই চলবে, যতদিন না দিল্লি থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে পারি।”

♦ ‘বাংলা ভাষায় নাকি কথা বলা যাবে না! কে মাছ খাবে, কে মাংস খাবে, কে ডিম খাবে ওরা ঠিক করে দেবে! বিজেপির এক জন নেতা বলছেন এখানে নাকি ১৭ লক্ষ রোহিঙ্গা আছে। মোট কত রোহিঙ্গা? আপনি এত জনকে বাংলাতেই বা পেলেন কোথায়?

’’

♦  ‘মতুয়া ভাইদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। কী জবাব দেবে তার বিজেপি? যখন ওড়িশায় ছাত্রীর সম্মাননষ্ট হল, যখন ওড়িশার রাস্তায় ছাত্রীর গায়ে আগুন ধরানো হয়, তার উত্তর কে দেবে? উত্তর দিতে হবে।’’ বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলোতে প্রতিনিয়ত অত্যাচার বেড়ে চলেছে। অথচ ওরা নিরব ভূমিকা পালন করছে।

বলা বাহুল্য, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে  এটাই শেষ ২১ জুলাই । এছাড়া শহিদ স্মরণ দিবস তৃণমূলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। তবে বিধানসভা ভোটের আগে শেষ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ঠিক কি বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মী- সমর্থকরা।