পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিহার নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)। রবিবার আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৫ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে ওয়াইসির দল। প্রসঙ্গত, বিহারে ২৪৩ আসনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয় ৬ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় দফা ১১ নভেম্বর। ফলপ্রকাশ হবে ১৪ নভেম্বর।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
মিম সূত্রে খবর, এআইএমআইএম বিহার ইউনিট বিধানসভা নির্বাচনে সিওয়ান কেন্দ্রে মহম্মদ কাইফ, গোপালগঞ্জ কেন্দ্রে আনাস সালাম, কিষাণগঞ্জের জন্য অ্যাডভোকেট শামস আগাজ, মধুবানির জন্য রশিদ খলিল আনসারি, আরারিয়ার জন্য মহম্মদ মনজুর আলম সহ ২৫ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে শনিবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। নরকাটিয়াগঞ্জ, কিষাণগঞ্জ, কসবা, পূর্ণিয়া এবং গয়া টাউন বিধানসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দলটি।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে ইতিমধ্যে ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। রাজনৈতিক দলগুলিও শুরু করেছে ভোটযুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি।
কদিন আগেই বিহার বিধানসভা নির্বাচন একলা চলার বার্তা দিয়েছিলেন এআইএমআইএম প্রধান ও হায়দারাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।আরও পড়ুন:
ইন্ডিয়া জোটের কাছে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে বিহার নির্বাচনে ১০০ আসনে একা লড়ার কথা ঘোষণা করেন মিম প্রধান। হায়দ্রাবাদের সাংসদ ওয়েইসির দাবি ছিল, বিহারে তৃতীয় বিকল্প তৈরির চেষ্টা করছে এআইএমআইএম। মিম নেতার কথায়, 'মহাগঠবন্ধন’ ২০২০ সালে এআইএমআইএম-এর বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট বিভক্ত করার অভিযোগ করেলেও এবার তা করতে পারবে না। তাঁর দাবি, “সবাই জানেন আমি আরজেডি সভাপতি লালু প্রসাদ এবং তেজস্বী যাদবকে চিঠি লিখে জোটে ইচ্ছা প্রকাশ করেছি। কিন্তু কোনও সাড়া পাইনি।
”আরও পড়ুন:
ওয়াইসির অভিযোগ করেছিলেন, জোটের প্রস্তাব পাঠিয়েও আরজেডি নেতৃত্বের কোনও সাড়া পাননি তিনি। তাই একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সমমনোভাবাপন্ন দলগুলির সঙ্গে তৃতীয় জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল গত নির্বাচনে মাত্র ২০ আসনে লড়েছিল। তবে এবারের টার্গেট ১০০। বিশেষজ্ঞদের মত, বিহারে মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশেরও বেশি মুসলিম। কিন্তু রাজ্য বিধানসভায় তাঁরা কখনও সেই অনুপাতে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পায়নি। এআইএমআইএম এই সমস্যাকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।