এ যেন কবি জসীমউদ্দিনের রূপাই ও সাজুর গল্প। তবে একটা বাস্তবে আর একটা কাব্যে। হয়তো কোন এক বাস্তব ঘটনা নিয়ে কাব্য তৈরি করেছিলেন পল্লি কবি। এটা মুর্শিদাবাদের ঘটনা।
ভালোবাসা ছিল তাদের নির্মল, নিঃস্বার্থ আর স্বপ্নভরা। একসাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিলেন শাহবাজ হোসেন (২৪) ও দ্রোণী দাস (২২)। কিন্তু সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত রয়ে গেল কেবল শোকের কুয়াশায়।আরও পড়ুন:
মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের কিরীটেশ্বরীতে ঘটেছে এই হৃদয়বিদারক প্রেমকাহিনি।
জিয়াগঞ্জ শ্রীপৎ সিং কলেজের ছাত্র শাহবাজ চেয়েছিলেন চাকরি পেয়ে প্রিয় দ্রোণীর সঙ্গে সংসার গড়তে। কিন্তু সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় খারাপ ফলের পর ভেঙে পড়েন তিনি। সোমবার সকালে নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন শাহবাজ।আরও পড়ুন:
খবর পৌঁছায় দ্রোণীর কাছে, মুহূর্তেই ভেঙে পড়েন তিনি।
প্রিয় মানুষটিকে শেষবার দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিবার বাধা দেয়। তাকে চোখে চোখে রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রেমিক শাহবাজের শোকে কাতর দ্রোণী নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।আরও পড়ুন:
দুটি গ্রাম আজ স্তব্ধ, নীরব। মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে একটাই কথা— “এটাই হয়তো ভালোবাসার শেষ অধ্যায়, যেখানে মৃত্যু আলাদা করে না, বরং এক করে দেয় দু’টি হৃদয়কে চিরকালের জন্য।” কেউ বা বলছেন, ভিন্ন ধর্মের তো কী হয়েছে?ওদের সংসার ওরা করবে, ভালোবাসায় বাধা কেন?