পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: কংগ্রেস মন্ত্রিসভার শপথে কর্নাটকে আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের তরফে সিদ্দারামাইয়ার শপথগ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, বেঙ্গালুরুতে শনিবারের শপথে তাঁদের দলের প্রতিনিধি হয়ে উপস্থিত থাকবেন লোকসভার সহকারি দলনেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আমন্ত্রিত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, তেলেঙ্গানার কে চন্দ্রশেখর রাও এবং বিহারের নীতীশ কুমার।
কর্নাটকে ফল ঘোষণার পর বিজেপিকে হারানোর জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু ট্যুইটে বা সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের নাম মুখে আনেননি।আরও পড়ুন:
কংগ্রেসের আমন্ত্রিতের তালিকার প্রথমেই ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তবে তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন শরদ পওয়ার, অখিলেশ যাদব, কেসিআরের মতো শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারাও।
আরও পড়ুন:
কংগ্রেস সরকারের মেয়াদের প্রথম আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন সিদ্দারামাইয়া, আগামী আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসবেন শিবকুমার। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে জল্পনার অবসানে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে, রাহুল গান্ধি, দলের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপালের সঙ্গে বৈঠক করেন সিদ্দারামাইয়া ও ডি কে শিবকুমার।
আরও পড়ুন:
২০১৮ সালের ১৩ মে কর্নাটকে জেডিএস-কংগ্রেস জোটের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীর শপথে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনিয়া গান্ধি-সহ বিরোধী দলগুলির অনেক নেতা সেখানে ছিলেন। বিজেপি বিরোধী নেতাদের সেই ‘ঐতিহাসিক’ সমাবেশে সোনিয়া ও রাহুল গান্ধি, সীতারাম ইয়েচুরি, চন্দ্রবাবু নায়ডু, অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, শরদ পওয়ার, অজিত সিংহদেরও দেখা গিয়েছিল এক মঞ্চে।
আরও পড়ুন:
এ বারও কংগ্রেস এবং তার সহযোগী ডিএমকে, এনসিপি, জেডিইউ, আরজেডির মতো দলগুলির নেতাদের শনিবার বেঙ্গালুরুতে দেখা যাবে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের পাশাপাশি আরও কয়েক জন মন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১টায় শপথ নেবেন বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন:
M
আরও পড়ুন: