পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : দিল্লীতে নিজের বাসভবনে এক অপরিচিত ব্যক্তির হাতে আক্রান্ত হলেন খোদ দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দিল্লীতে। নিজস্ব বাসভবনে তিনি তখন সাধারণ মানুষদের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতাকর্মীরাও।
আরও পড়ুন:
ঠিক তখনই ঘটে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা। রাজেশভাই খিমজিভাই সাকরিয়া নামক গুজরাতের ওই ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন ওই জনসভায়। হঠাৎ করেই তিনি কিছু কাগজপত্র দেখানোর নাম করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উঠে যান।
তারপরেই আচমকা চিৎকার শুরু করে দেন ও রেখাজিকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ শুরু করে দেন। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল রেখাজিকে ওই ব্যক্তি চড়ও মারেন।আরও পড়ুন:
এই ঘটনার পরেই ওখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা রাজেশকে পাকড়াও করে। তারপরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় ও গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। হঠাৎ করে কেন এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে কিছু স্পষ্ট নয়। আপাতত রেখাজি তথা একজন মহিলার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি।
আপ নেত্রী এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মার্লেনা বলেছেন, ‘‘এই ধরনের ঘটনা খুবই নিন্দনীয়। এই আক্রমণের ঘটনা একেবারেই ঠিক নয়। সাধারণ মানুষের মধ্য অনেক মতবিরোধ বা প্রতিবাদ থাকতেই পারে। কিন্তু তা বলে এইধরনের হিংসাত্মক ব্যবহার মানা যায় না। যেখানে একজন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে এইরকম ঘটনা ঘটতে পারে, ওনার নিরাপত্তায় ব্যঘাত ঘটে, সেখানে সাধারণ মহিলা বা নারীরা কিভাবে নিরাপদ থাকতে পারে। আমরা সকলে আশা রাখছি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ খুব শীঘ্রই কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের পরিচয় ও ঠিকানা পাওয়া গেছে এবং তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
অভিযুক্তের মা ভানু সাকরিয়া জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে খুবই কুকুরপ্রেমী। সম্প্রতি এই পথকুকুরদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে তিনি খুব ক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু নিজের ছেলের দিল্লীতে যাওয়া ও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে যাওয়া নিয়ে কোন ধারণাই ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুন:
আরও জানা গেছে, ওই যুবকের এক আত্মীয় বর্তমানে তিহাড় জেলে বন্দি। হয়তো তার মুক্তির দাবিতে সে রেখাজির সঙ্গে দেখা করতে যান। আর তারপরেই এই ঘটনা ঘটে। এমনকি আদলত সংক্রান্ত কিছু নথিপত্রও পুলিশ উদ্ধার করেছে। আপাতত এই ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত চলছে। পাশাপাশি এই হামলার পেছনে আর কোন কারণ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।