নয়াদিল্লি: অসমের গোয়ালপাড়া জেলার পাইকান সংরক্ষিত অরণ্য অঞ্চলে বুলডোজার চালিয়ে দখলদার উচ্ছেদে যে অভিযান চালিয়েছে সরকার, তাতে বাধা দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুও হয়। তখনই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল কিছু সামাজিক সংগঠন।
আরও পড়ুন:
সেই সময়ে সুপ্রিম কোর্ট জোর জবরদস্তি উচ্ছেদ করতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৬৬৭ জনকে উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং অনেককে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ করে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে অসম সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রিট পিটিশন করা হয়।
প্রধান বিচারপতি গাভাই এবং বিচারপতি কে বিনোদচন্দ্রনের বেঞ্চ একথা শুনেই মামলাটি তালিকাভুক্ত করার আদেশ দেয়। অসমের মুখ্যসচিব এবং সংশ্লিষ্ট অন্য সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে এদিন এই বেঞ্চের পক্ষ থেকে নোটিশ জারি করে ২ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অর্থাৎ ২ সপ্তাহ পরে এই মামলার শুনানি হবে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা দাবি করেছেন, ওই অরণ্য অঞ্চলে ৬০০০ এর বেশি বাংলাদেশী আশ্রয় নিয়েছে। এদের তাড়াতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
গত ১২ জুলাই বুলডোজার চালিয়ে ১৪০ একর জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী তখন জানান, ৫০ হাজারের বেশি দখলদারকে তাড়ানো হয়েছে। হিমন্ত বলেছেন, আমরা পাইকানকে সুন্দর অরণ্যে পরিণত করব। এটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর আগে দরং এত গরুখুটিতে একইভাবে দখলদার মুক্ত করতে পুলিশ গুলি চালিয়ে দুজন ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল।