পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক বিএলও-র আত্মহত্যার ঘটনায় এবার নদিয়ার জেলাশাসক তথা ডিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ কুমার আগরওয়াল। কী কারণে ওই বুথ লেভেল অফিসারের মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বললেন রাজ্যের সিইও।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
নদিয়ার চাপড়া থানার বাঙালঝি এলাকার স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পার্শ্বশিক্ষক ছিলেন রিঙ্কু তরফদার। বাঙালঝি এলাকায় বিএলও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এদিন বাড়িতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে।
সেখানে মেয়েদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, “বাবার খেয়াল রাখিস। আমার কিছুই করার নেই। আমার সংসার ছেড়ে যেতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। নিজে হাতে করে এই সংসার পাতা।”আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করে তিনি ‘সুইসাইড নোটে’ লেখেন, “আমার এই পরিণতির জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। আমি কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। খুবই সাধারণ মানুষ।
কিন্তু এই অমানুষিক কাজের চাপ আমি নিতে পারছি না। আমি একজন পার্শ্বশিক্ষিকা। বেতন পরিশ্রমের তুলনায় খুবই কম কিন্তু এরা আমাকে ছাড় দিল না। অফলাইন কাজ আমি ৯৫ শতাংশ শেষ করে ফেলেছি। কিন্তু অনলাইনে আমি কিছুই পারি না। বিডিও অফিসে এবং সুপারভাইজারকে জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা করল না। ২০১ নম্বর পার্টে কেউ ছিল না বলে আমায় কাজ চাপিয়ে দিল। কিন্তু পরে অন্য পার্টের অনেককে অন্য পার্টে বিএলও হিসাবে নিয়োগ করেছে।”