পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ, বুধবার তৃণমূলে যোগদান করলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো। এদিন এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি।
আরও পড়ুন:

বুধবার প্রথমে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন লুইজিনহো। এরপরই তৃণমূল ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। লুইজিনহো ফেলেইরো''র বলেন, আমি আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তৃণমূলে যোগদান করতে পেরে আমি খুশি। দেশের পশ্চিম উপকূলে আমার অবস্থান ছিল। এখন আমার অবস্থান পূর্ব উপকূলে।'
আরও পড়ুন:

লুইজিনহো-সহ মোট ১০ জন এ দিন তৃণমূলে যোগদান করেন। এদের মধ্যে রয়েছেন এক বিধায়ক ও কংগ্রেস প্রদেশ কমিটির একাধিক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক।
আগামিকালও বেশ কয়েকজন তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন বলে খবর।আরও পড়ুন:
এদিন তৃণমূলে যোগদান করার জন্য লুইজিনহো ফেলেইরোকে ট্যুইট করে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
অসমের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেবের পর এবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো তৃণমূলে যোগ দিলেন। এই যোগদান অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো। এদিন বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। ভোটের মুখে কংগ্রেস ছেড়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো। সোমবার বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন তিনি। এরপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসাও শোনা যায় ফালেইরোর গলায়। ইস্তফা দেওয়ার পর নিজের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে লুইজিনহো ফালেইরো বলেন, ‘আমি কংগ্রেসে নির্যাতিত ছিলাম।
কলকাতায় পা রেখেই তিনি বললেন, বিরোধী শক্তির মধ্যে মমতাই মুখ। তাই তার উপরই ভরসা রাখছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ত্রিপুরার মতোই গোয়াতেও জমি তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। আর সেখানেও তাদের নজরে কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ নেতা-নেত্রীরা। আর এই আবহেই ভোটমুখী গোয়ায় ধাক্কা খেল কংগ্রেস।
সূত্রের খবর, লুইজিনহো ফালেইরোকে সামনে রেখেই গোয়ায় সংগঠন সাজানোর কাজ চলবে। তাই গোয়া তৃণমূলের তিনিই। তার পর একে একে আরও একধিক বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দেবেন। দু’দফায় বছর খানেকের জন্য গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন লুইজিনহো ফালেইরো। ছিলেন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক। ২০১৩-তে উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্যের কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক পদে নিয়োগ করা হয় লুইজিনহো ফালেইরো।
সূত্রের খবর, ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়াতেও সমীক্ষার কাজ চালাচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের টিম আই-প্যাক। সম্প্রতি গোয়া সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, পুজোর পরে গোয়া যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪০ আসনের গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে তৃণমূল। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে গোয়ায় ভোট। তার আগে উপকূলবর্তী এই রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের লক্ষ্যে তৃণমূল কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার।