পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: স্কুলের মধ্যে থেকেই এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। হায়দরাবাদের একটি আবাসিক স্কুলের ঘটনা। মৃত ছাত্রের বন্ধু প্রথমে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। মঙ্গলবার ১৬ বছর ওই নাবালক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুল দুদিন স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সমস্ত ছাত্রদের বাড়ি যেতে বলা হয়েছে।
কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। গলায় কাপড় শুকোনোর জন্য ব্যবহৃত নাইলনের দড়ির ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। স্কুলের কাছেই একটি শহরের বাসিন্দা ছিল মৃত ছাত্র।
আরও পড়ুন:
মৃত কিশোরের বন্ধুর জবানবন্দি অনুযায়ী, সে প্রতিযোগিমূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রাত ১০টা নাগাদ তাকে দেখতে না পেয়ে, সে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
পরে একটি ক্লাসের শ্রেণিকক্ষ থেকে মৃতের ছাত্রের দেহ উদ্ধার করে এক অপরিচিত ব্যক্তির সাহায্যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, মৃত্যু হয়েছে ছাত্রের। এই ধরনের ঘটনার পরে কেন ছাত্রটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ করেনি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মৃতের বন্ধুর অভিযোগ, আরও ভালো রেজাল্ট করার জন্য তাকে ওপর চাপ ছিল। মৃতের ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা ন্যায় বিচারের দাবিতে কলেজের সামনে প্রতিবাদ করেন। ছাত্রের আত্মহত্যার জন্য আচার্য নামে এক স্কুল কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই কর্মীর নামে নির্যাতনের অভিযোগ এনেছে।আরও পড়ুন:
গত রবিবার তেলেঙ্গানার এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়। জানা যায়, ছাত্রটির ব্যক্তিগত ছবি নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পর আত্মঘাতী হন ছাত্র। গত ডিসেম্বরে ওয়ারেঙ্গালে একজন স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন:
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে জানান চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হেনস্থার কারণে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
আরেকটি ঘটনায়, গত শনিবার নিজামবাদে তার হোস্টেল রুমে আত্মঘাতী হন শেষ বর্ষের মেডিকেল ছাত্রী।
আরও পড়ুন:
একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১ সালে প্রায় ১,৬৪, ০০৩ মানুষ আত্মঘাতী হন।
আরও পড়ুন: