পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, বসিরহাট: বাদুড়িয়া সংস্কৃতি মঞ্চের উদ্যোগে তারাগুনিয়া ইউ পি স্কুলের প্রাঙ্গণে কবি রাম বসুর স্মৃতি ফলক উন্মোচন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বাদুড়িয়া সংস্কৃতি মঞ্চের আহ্বায়ক গৌতম গুপ্তা, শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি দীপক রায় , বাদুড়িয়া এল এম এস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশরাদুর রহমান , তারাগুনিয়া ইউ পি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আমজাদ আলি সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যায। রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন সহ কবির কবিতা পাঠের মাধ্যমে গোটা এলাকা উৎসব মুখরিত হয়ে ওঠে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের তথ্য সংস্কৃতি কর্মাধ্যক্ষ বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন এক বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত কবি রাম বসুর জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই।
কারণ বর্তমান প্রজন্মের কাছে কবি রাম বসুর মতন কবিকে নুতন করে স্মরণ করিয়ে তার লেখনিকে তুলে ধরছে ।শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি দীপক রায় বলেন, আমাদের বাদুড়িয়ার অহংকার এবং তার লেখনি আমাদের কাছে অলংকার। একটি প্রকাশনীর সাথে আমরা ইতিমধ্যে চুক্তি বদ্ধ হয়েছি। আমরা চেষ্টা করব বাদুড়িয়ার প্রতিটি মানুষের কাছে তার লেখা পৌছে দিতে। সন্ধ্যায় কবির কবিতার আসর ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, এই কবি , বাদুড়িয়া লন্ডন মিশনারী সোসাইটি (এল এম এস ) হাইস্কুলে ভর্তি হন এবং ১৯৪২ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন ।আরও পড়ুন:
এরপর কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক হন ।দীর্ঘদিন কাজ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদে। যেখানে তিনি ডেপুটি সেক্রেটর পদে ছিলেন । ছেলে বেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। কাগজ কলম পেলেই কবিতা সৃষ্টি করতেন। নুতনত্বের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন তৎকালীন এলএমএস হাই স্কুলের এর প্রধান শিক্ষক সুবীর কুমার মিত্র।তাঁর লেখা কাব্য গ্রন্থ মধ্য উল্লেখ যোগ্য মধ্যে উল্লেখযোগ্য তোমাকে’ (১৯৫০), ‘যখন যন্ত্রণা’ (১৯৫৮), ‘দৃশ্যের দর্শন’ (১৯৫৬), ‘অন্তরালে প্রতিমা’ (১৯৬৬), ‘মলিন আয়না’ (১৯৬৯), ‘কানামাছি’ (১৯৭৪), ‘সময়ের কাছে সমুদ্রের কাছে’ (১৯৭৯), ‘মন্ত্র খুঁজি’ (১৯৮১), ‘দে’জ শ্রেষ্ঠ কবিতা’ (১৯৮৯), বৃত্তান্ত’ (২০০১), ‘সমুদ্র যে কাল’ (২০০৩), ‘রাম বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা’ (২০০৫), ‘যাই যাচ্ছি’