পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ইরান নাকি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে, এই অভিযোগে সরব থাকা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গর্বের সঙ্গে বললেন, বিশ্বকে ১৫০ বার ধ্বংস করার মতো পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের! মানুষকে হত্যা করার মধ্যে আনন্দ! একারণেই বোধহয় নিষ্ঠুরতার সব সীমা অতিক্রম করে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে নাটকের মঞ্চস্থ তৈরি করা আমেরিকা! সেই পরমাণুর হুমকি এখনো যেন শোনা যাচ্ছে!
ভয় দেখাও, চুক্তি করো, নইলে হত্যা করো- এই হচ্ছে দেশটির অঘোষিত নীতি।আরও পড়ুন:
যেকারনে এতো কথা। আসলে চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি স্বরূপ নিজেদের অবস্থান স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের বন্ধু ট্রাম্প বলেন, “চীন সব সময় আমাদের ওপর নজর রাখছে, আর আমরাও তাদের ওপর নজর রাখছি।
”আরও পড়ুন:
ট্রাম্প বলেন, “আমাদের হাতে এমন অস্ত্রভান্ডার আছে, যা দিয়ে বিশ্বকে ১৫০ বার ধ্বংস করা সম্ভব।” তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক রাষ্ট্র; রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে, আর চীন দ্রুত তৃতীয় স্থানে উঠে আসছে। তিনি জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে ট্রাম্প সম্প্রতি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার আদেশও দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
বিরল খনিজ সম্পদ নিয়েও ট্রাম্প সতর্ক করেন। তিনি বলেন, “চীন ২৫–৩০ বছর ধরে বিরল খনিজ সঞ্চয় করছে এবং এখন সেটিই তাদের বড় অস্ত্র। যুক্তরাষ্ট্র এই খনিজের ওপরই অনেকখানি নির্ভরশীল।”
আরও পড়ুন:
ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনকে টার্গেট করলেও দুনিয়াকে ১৫০ বার ধ্বংস করার মতো পরমাণু তাদের হাতে আছে, এমন হুমকির মধ্যে ফের একবার এক হিংস্র মানসিকতা প্রকাশ পেল। আমেরিকা যতোই মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা বলুক, তারা নিজেদের স্বার্থে গণতন্ত্রকেউ হত্যা করে স্বৈরাশাসককে নিয়ে আসতে পারে তার প্রমাণ অনেক আছে। এমনকি তার কথা না শুনলে নির্দ্ধিধায় দুনিয়ার মানুষ হত্যা করতে পারে, তাতে পৃথিবী থাকুক আর না থাকুক!।