পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ৫০০ টাকার নোট ধীরে ধীরে তুলে দেওয়ার পথে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আতঙ্কিত হয়ে এখনই ব্যাঙ্কে ছোটার কোনও দরকার নেই। নোটবন্দি ধরনের কিছু হবে না।
আরও পড়ুন:
সাধারণ মানুষকে অনেক সময় দিয়ে ধীরে ধীরে ৫০০টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিতে চাইছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই ব্যাপারে অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী এবং এনডিএ-র শরিক দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছিলেন।
আরও পড়ুন:
কারণ অন্ধ্রে পুলিশ রাশি রাশি ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করেছিল। ২০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা আর দেখা যায় না। ১০০০ টাকার নোট নেই। স্বাভাবিকভাবেই কালোবাজারিরা এখন ৫০০ টাকার নোটকেই টার্গেট করেছে।
আরও পড়ুন:
দিল্লিতে বিচারপতি যশোবন্ত শর্মার বাড়ি থেকে কাড়ি কাড়ি ৫০০ টাকার নোটই পাওয়া গিয়েছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চাইছে, ২০২৬ সালের জুন থেকে ৫০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করে দিয়ে ২০০ এবং ১০০ টাকার নোট বেশি করে বাজারে আনতে।
আরও পড়ুন:
এদিকে ২০০ এবং ১০০ টাকার নোটও যে জাল হচ্ছে সে খবরও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছ আছে। তাই মাঝে মাঝে পুরনো নোট বাজারে চালু রেখেই ২০০ এবং ১০০ টাকার নোটের আকৃতি বদলানোর ভাবনাও রয়েছে।
আরও পড়ুন:
কী কারণে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ৫০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করতে চাইছে? এক, কালোবাজারি কমাতে। দুই, ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে। বাজারে যদি ৫০০ টাকার নোট না-ই থাকে তাহলে কাউকে ১০ হাজার টাকা দিতে হলেই লোকে ইউপি আই, গুগল পে বা ফোন পে-তে দেবে।
এমনিতে ইউপি আই ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তিন, নোট ছাপার খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। নোট ছাপার কাগজ বিদেশ থেকে কেনা হয়। তার দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্র চাইছে, বিপুল পরিমাণ নোট ছাপার খরচ কমাতে। এই তিন কারণে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চাইছে, বাজারে ২০০ এবং ১০০ টাকার নোট চালু রেখে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে, যা করোনাপর্বে বেড়েও ফের নগদের ব্যবহার বেড়ে গিয়েছে। এতে চিন্তিত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।