পুবের কলম প্রতিবেদকঃ ত্রিপুরায় তেইশে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ বছরের পুরভোটকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই এই পুরভোট সফল করতে কলকাতা থেকে একগুচ্ছ নেতাকর্মীদের পাঠাল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই দলে যেমন ছাত্রনেতারাও আছেন তেমনি রয়েছেন বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা। সামগ্রিকভাবে ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, শান্তনু সেন এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শে এখানে ভোটের লড়াই চলবে। তবে পুরসভা ধরে ধরে আলাদা আলাদা করে দায়িত্ব ভাগ করেও দিল তৃণমূল।
আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাঁচ বিধায়ক-সহ দায়িত্ব পাওয়া ন’জন নেতা বুধবার সকালের বিমানেই ত্রিপুরা পৌঁছে গিয়েছেন।
এছাড়াও ভোটের প্রচারে ত্রিপুরা যেতে পারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।আরও পড়ুন:
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত যতটুকু খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলামকে ত্রিপুরার সেপাইজালা জেলার সোনামুড়ার নগর পঞ্চায়েতে ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁকে সহযোগিতা করছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়। বীরভূমের লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহকে খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর সহযোগী হয়েছেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস। চাঁপদানি পুরসভার পুর প্রশাসক অরিন্দম গুঁইকে দেওয়া হয়েছে ঢালাই জেলার অন্তর্গত আমবাসা পুরসভার দায়িত্ব।
তাঁকে সহযোগিতা করবেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র সুপ্রকাশ গিরি।আরও পড়ুন:
ত্রিপুরার রাজধানী শহর আগরতলাতেও পুরভোট হচ্ছে। আগরতলা পুরসভাকে তিন ভাগে ভাগ করে তিনজনকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটককে আগরতলা পুরসভার ১ থেকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালনার কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ থেকে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটের দায়িত্ব পেয়েছেন অশোক নগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। বিধানসভা ভোটের পরেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন আলিপুরদুয়ার জেলার বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা।
তাঁকে আগরতলা পুরসভার ৩৫ থেকে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
মূলত ভোটের প্রস্তুতি থেকেই স্পষ্ট ত্রিপুরার পুরভোটকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এ রাজ্যের শাসক দল। এ প্রসঙ্গে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেবের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, লড়াইটা আমরা ময়দানে নেমে করব। ত্রিপুরায় আমাদের প্রত্যেকটা সেকেন্ড লড়াই করে টিকে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আসিনি। বিজেপি যেভাবে মানুষের উপর অত্যাচার নামিয়ে আসছে আমার দৃঢ়বিশ্বাস পুরভোটে যদি তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় ব্যালটে সব কিছুর জবাব দেবে।