পুবের কলম প্রতিবেদকঃ দুর্যোগ ঠেকাতে সবদিক থেকেই আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। তবে গত কয়েকদিনে যা বৃষ্টি হয়েছে তা প্রায় গত ১৩ বছরে হয়নি। ফলে শহরে বেশ কিছু এলাকা এখনও জলবন্দি। ফের যদি সাধারণের তুলনায় অধিক বৃষ্টিপাত হয় সেক্ষেত্রে শহরে পুনরায় জল জমবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য তারক সিং।
আরও পড়ুন:
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দফাযü দফায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে।
ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা পশ্চিম মেদিনীপুর পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান হাওড়া হুগলি ঝাড়গ্রাম বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা কলকাতা ঝাড়গ্রাম হাওড়া হুগলি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।আরও পড়ুন:
এই অবস্থায় কলকাতায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে নিকাশি বিভাগের আয়ত্তের বাইরে।অন্যদিকে, লকগেট বন্ধ থাকাকালীন যদি ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় সেক্ষত্রেও জল নামতে ৫ ঘন্টা সময় লেগে যাবে বলে জানান তারক সিং।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে শহরের যে সমস্ত খোলা নিকাশি নালা আছে সেগুলোকে ঢাকনা দেওয়া এবং যে সমস্ত নিকাশি নালার মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে তা যততোটা তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠিক করা হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে এই নির্দেশ পাওয়া মাত্রই দ্রুত কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তারক সিং। যদিও একটানা বৃষ্টি কিছুটা বাঁধ সেধেছে বলেই আপশোস করেন তিনি। এদিকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও কেন মুকুন্দপুর এলাকাতে জল নামল না সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সেচের অধীন সব খালের নাব্যতা বাড়াতে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরসঙ্গেই খালগুলির সঙ্গে শহরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন লিংক নালার সংস্কার করা হবে। কলকাতা পুরসভা ও সেচ দফতরের যৌথ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।