পুবের কলম প্রতিবেদকঃ আইনি জটিলতা থাকার কারণে বহু বছর মাদ্রাসায় শিক্ষক শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি।যদিও কিছুটা আইনি জটিলতা কাটিয়ে কিছু শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। এই পরিস্তিতে মাদ্রাসাগুলি আরও শিক্ষকের প্রয়োজন।বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে রাজ্যের প্রত্যেকটি মাদ্রাসায় শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
সেইহেতু কমিশন যে বিজ্ঞপ্তি দিযেছে ১৮ আগস্টের মধ্যে সমস্ত মাদ্রাসাকে তাদের শিক্ষক– শিক্ষা কর্মীদের শূন্যপদে সংখ্যা সরকারিভাবে কমিশনকে জানাতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখনও রাজ্যের বেশ কিছু মাদ্রাসা তাদের শূন্য পদের তালিকা জমা করছেন না ।আরও পড়ুন:
মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষাকর্মী সমিতির মুখপাত্র সাজ্জাদ হোসেন বলেন–প্রত্যেকটি প্রধান শিক্ষক – প্রধান শিক্ষিকা ও টিআইসি ’র কাছে সংগঠনের অনুরোধ আপনারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাদের মাদ্রাসা প্রত্যেকটি শূন্য পদের তালিকা জমা করুন । না হলে পরবতীতে সমস্ত মাদ্রাসাগুলি নানা সমস্যার মধ্যে পড়বে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন– রাজ্যে বহু শিক্ষিত ছেলেমেযেüরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় বসে রয়েছে। তাই একদিকে যেমন বেকার ছেলে মেয়েরা চাকরি পাবে– অন্যদিকে মাদ্রাসাগুলি আবার স্বমহিমায় ফিরে আসবে। মাদ্রাসার পঠন পাঠনের লক্ষ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে কমিশন ছাড়া কোনও মতেই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার সুযোগ আসবে না ।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন– কিছু কিছু মাদ্রাসা তাদের শূন্যপদের ১০০শতাংশ অবগত না করে কমিশনকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শূন্য পদ দেখাচ্ছেন ।
যারা এই সমস্ত শূন্যপদ দেখাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে সাজ্জাদ হোসেন বলেন–আপনারা ভুল পথে হাঁটছেন একদিকে ওই সমস্ত পদে কমিশন ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ করতে পারবেন না। আবার শূন্যপদ না দেখালে আপনাদের মাদ্রাসায় ওই শিক্ষকের পদ গুলি খালি রয়ে যাবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাদ্রাসা গুলির পরিকাঠামোগত যে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন সেগুলিকে ধরে রাখতে হলে যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।আরও পড়ুন:
সংখ্যালঘু বিষয়ক মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী গোলাম রব্বানীকে অনুরোধ করে বলেন– মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন যত দ্রুত সম্ভব বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞাপন দিয়ে মাদ্রাসাগুলিতে শূন্যপদে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হোক। যে সমস্ত মাদ্রাসা এখনও পর্যন্ত শিক্ষকদের শুন্য পদের তালিকা কমিশনের কাছে জমা করছেন না– আগামী দিনে ওই সমস্ত মাদ্রাসা সরকারিভাবে সুযোগসুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকবে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন–যারা মাদ্রাসার শূন্য পদের তালিকা জমা করছে না তাদের চাপ সৃষ্টি করে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করতে হবে।যারা সরকারের নিয়ম মানছে না তাদের বিরুদ্দে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান।