চলতি বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক সর্বভারতীয় হাতি গণনা রিপোর্টে দেখা গেছে, বর্তমানে দেশে হাতির মোট সংখ্যা ২২,৪৪৬। এই গণনায় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে ডিএনএ-ভিত্তিক মার্ক-রিক্যাপচার প্রযুক্তি, যা হাতি সংরক্ষণে নতুন দিগন্ত খুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
গণনায় হাতির জনসংখ্যাকে তাদের বাসস্থান অনুযায়ী চারটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে—
আরও পড়ুন:
পশ্চিমঘাট পর্বতমালা, মধ্য ভারত ও পূর্বঘাট অঞ্চল,শিবালিক পাহাড় ও গঙ্গার উপত্যকা, উত্তর-পূর্ব ভারতের পাহাড় ও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা।
আরও পড়ুন:
রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানে শীর্ষে রয়েছে কর্ণাটক, যেখানে হাতির সংখ্যা ৬,০১৩। দ্বিতীয় স্থানে আসাম (৪,১৫৯) এবং তৃতীয় স্থানে তামিলনাড়ু (৩,১৩৬)।
আরও পড়ুন:
তালিকায় এরপর রয়েছে কেরালা ও উত্তরাখণ্ড, আর পশ্চিমবঙ্গে হাতির সংখ্যা ৭০৭।
আরও পড়ুন:
বন দফতর সূত্রে জানা গেছে, হাতিদের সুরক্ষা ও চলাচলের করিডর রক্ষায় রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগই এখন সময়ের দাবি।