১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের মাঝেই ইরানের নতুন অর্থমন্ত্রী মাদানিজাদেহ

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চতুর্থ দিনের সংঘাতের মধ্যেই, ইরানের সংসদ সে দেশের নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে সৈয়দ আলি মাদানিজাদেহ’কে (৪৩) অনুমোদন দিয়েছে। মাদানিজাদেহ ২৪৬ জন উপস্থিত আইনপ্রণেতার মধ্যে ১৭১টি পক্ষে ভোট, ৬৭টি বিপক্ষে ভোট দেন এবং ৮ জন ভোট দানে বিরত ছিলেন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত অর্থনীতি এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি মোকাবেলার দায়িত্ব পড়েছে এই নতুন মন্ত্রীর কাঁধে। পূর্বসূরি আবদোলনাসের হেম্মাতিকে সংসদ অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে বরখাস্ত করার কয়েক মাস পর নিয়োগ দেয়া হলো মাদানিজাদেহকে। হেম্মাতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি মূল্যস্ফীতি, মুদ্রা সংকট এবং বেকারত্বের মতো দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মাদানিজাদেহ ১৯৮২ সালে ইরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শরীফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটেশনাল ম্যাথেমেটিক্সে স্নাতকোত্তর এবং ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

আরও পড়ুন: ইরানে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, উত্তেজনা চরমে

বর্তমানে তিনি শরীফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন। তাঁর গবেষণা ও শিক্ষাদান মূলত ম্যাক্রোইকোনমিক্স, আর্থিক ও রাজস্বনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং শিল্প কাঠামো বিষয়ক। তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাও বেশ বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি থেকে তেলবাহী জাহাজ বাজেয়াপ্ত করল ইরান

মাদানিজাদেহ ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংকের অর্থ ও ব্যাংকিং গবেষণা ইনস্টিটিউটে মডেলিং বিভাগের প্রধান হিসাবে কাজ করেছেন। ইরানের পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া ইরানের ইনফরমেশন টেকনোলজি অর্গানাইজেশনের নির্বাহী বোর্ডের সদস্য , সেন্ট্রাল ব্যাংকের লিকুইড কমিটির সদস্য, মুদ্রা ও ঋণ পরিষদের কমিশনের সদস্য এবং বাজেট কাঠামো সংস্কার এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক আইন সংশোধনের বড় প্রকল্পগুলির পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিয়োগ ইরানের অর্থনৈতিক নীতিতে নতুন দিক নির্দেশনা আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইউরোপা লিগে স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ হল ইসরাইলের ফুটবল সমর্থকরা

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

পাকিস্তান–তুরস্ক–সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের জল্পনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যুদ্ধের মাঝেই ইরানের নতুন অর্থমন্ত্রী মাদানিজাদেহ

আপডেট : ১৭ জুন ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চতুর্থ দিনের সংঘাতের মধ্যেই, ইরানের সংসদ সে দেশের নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে সৈয়দ আলি মাদানিজাদেহ’কে (৪৩) অনুমোদন দিয়েছে। মাদানিজাদেহ ২৪৬ জন উপস্থিত আইনপ্রণেতার মধ্যে ১৭১টি পক্ষে ভোট, ৬৭টি বিপক্ষে ভোট দেন এবং ৮ জন ভোট দানে বিরত ছিলেন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত অর্থনীতি এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি মোকাবেলার দায়িত্ব পড়েছে এই নতুন মন্ত্রীর কাঁধে। পূর্বসূরি আবদোলনাসের হেম্মাতিকে সংসদ অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে বরখাস্ত করার কয়েক মাস পর নিয়োগ দেয়া হলো মাদানিজাদেহকে। হেম্মাতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি মূল্যস্ফীতি, মুদ্রা সংকট এবং বেকারত্বের মতো দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মাদানিজাদেহ ১৯৮২ সালে ইরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শরীফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটেশনাল ম্যাথেমেটিক্সে স্নাতকোত্তর এবং ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

আরও পড়ুন: ইরানে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, উত্তেজনা চরমে

বর্তমানে তিনি শরীফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন। তাঁর গবেষণা ও শিক্ষাদান মূলত ম্যাক্রোইকোনমিক্স, আর্থিক ও রাজস্বনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং শিল্প কাঠামো বিষয়ক। তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাও বেশ বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি থেকে তেলবাহী জাহাজ বাজেয়াপ্ত করল ইরান

মাদানিজাদেহ ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংকের অর্থ ও ব্যাংকিং গবেষণা ইনস্টিটিউটে মডেলিং বিভাগের প্রধান হিসাবে কাজ করেছেন। ইরানের পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া ইরানের ইনফরমেশন টেকনোলজি অর্গানাইজেশনের নির্বাহী বোর্ডের সদস্য , সেন্ট্রাল ব্যাংকের লিকুইড কমিটির সদস্য, মুদ্রা ও ঋণ পরিষদের কমিশনের সদস্য এবং বাজেট কাঠামো সংস্কার এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক আইন সংশোধনের বড় প্রকল্পগুলির পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিয়োগ ইরানের অর্থনৈতিক নীতিতে নতুন দিক নির্দেশনা আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইউরোপা লিগে স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ হল ইসরাইলের ফুটবল সমর্থকরা